প্রতিদিনের বাংলাদেশে সংবাদ প্রকাশ
সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ নভেম্বর ২০২৪ ১৭:৫১ পিএম
আপডেট : ১০ নভেম্বর ২০২৪ ১৭:৫২ পিএম
গ্রামীণ ব্যাংকের মানিকগঞ্জ ঝিটকা হরিরামপুর শাখার ম্যানেজারকে স্যার না বলায় গ্রাহকের সঙ্গে অসদাচরণ করে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া ও মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টাকারী সেই সেকেন্ড ম্যানেজারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সকালে ঝিটকা হরিরামপুর শাখার ম্যানেজার, অভিযুক্ত সেকেন্ড ম্যানেজার আবুল কালাম আজাদ এবং ঢাকা থেকে আসা গ্রামীণ ব্যাংকের দুইজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ভুক্তভোগী ওই গ্রাহকের দোকানে যান। তারা জড়িত সবার সঙ্গে কথা বলেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) প্রতিদিনের বাংলাদেশের অনলাইন ও ডিজিটাল প্লাটফর্মে ‘গ্রামীণ ব্যাংকের সবাইকে স্যার বলতে হবে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হলে মূহুর্তেই সেটি ভাইরাল হয়। পরে দেশের প্রথম সারির জাতীয় দৈনিকসহ বেশ কিছু মিডিয়াতে সেটি ঢালাওভাবে প্রকাশিত হয়। এরপরই বিষয়টি নজরে আসে কর্তৃপক্ষের। এছাড়া ওই কর্মকর্তার আচরণের ভিডিওটিও এলাকায় ভাইরাল হয়েছে। এতে নেটিজেনরা ঐ কর্মকর্তাকে বদলি, চাকুরিচ্যুত করাসহ বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করেছেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সুব্রত সন্ন্যাসী বলেন, ‘আমার সঙ্গে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি আপনাদেরসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত হওয়ার পরে ব্যাংকের বিভাগীয় প্রধানসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা আমার দোকানে আসেন। এসে আমার বাবার হাত ধরে ও পরে আমাকে সরি বলে ক্ষমা চেয়ে এখানেই বিষয়টি শেষ করার জন্য অনুরোধ জানিয়ে যায়। আমি তখন তাদেরকে ক্ষমা করে দেই। তবে আমার দাবি তারা যেন আর কোনো গ্রাহকের সঙ্গে এমন আচরণ না করে। যদি তারা না শোধরায় তাহলে, অন্যান্য গ্রাহকদের সঙ্গেও তো এমন আচরণ চালিয়ে যাবে তারা। তাই আমি পুরোপুরিভাবে এই ঘটনার সমাধান চাই।’
সেকেন্ড ম্যানেজার আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ভুক্তভোগী গ্রাহক ও আমার মাঝে একটা ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা ঘটেছিল। সেটা হেড অফিস থেকে স্যাররা এসে সমাধান করে দিয়েছে। এখন আমাদের মাঝে আর কোনো ভুল বোঝাবুঝি নেই।’
ঝিটকা হরিরামপুর শাখার গ্রামীণ ব্যাংকের ম্যানেজার অদ্বৈত কুমার মৃধা বলেন, ‘ঘটনা ঘটার পরই গত শুক্রবার হেড অফিস থেকে দুজন কর্মকর্তা এসেছিলেন। তারা পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে গেছেন। যার সঙ্গে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে তার সঙ্গে বসে একটা মিমাংসা করা হয়েছে। এছাড়াও তদন্তের যারা দায়িত্বে আছেন তারা হেড অফিসে এটা সাবমিট করবেন। তদন্ত রিপোর্ট আমরা এখনো পাইনি। হয়তো এই সপ্তাহের মাঝে তদন্ত রিপোর্ট পাব।’