ইলিশ শিকারে বাধা
দুমকী (পটুয়াখালী) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৪ ১৯:৩৫ পিএম
আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০২৪ ১৯:৩৬ পিএম
পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার পায়রা নদীতে ইলিশ শিকারে বাধা দেওয়ায় প্রশাসনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার অভিযোগে ১৮ জেলেকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন।
ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে আটকদের মধ্যে ১৪ জনকে ৭ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকি ৪ জন জেলে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ সময় ইঞ্জিল চালিত ১টি ট্রলার জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৩১অক্টোবর) বিকালে উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম আঙ্গারিয়া এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে।
আটকরা হলেন- বাকেরগঞ্জের উত্তর দুধাল মৌ এলাকার আনোয়ার হাওলাদারের ছেলে হৃদয় হাওলাদার, কামাল হাওলাদারের ছেলে সাবু হাওলাদার, জালাল হাওলাদারের ছেলে শাওন হাওলাদার, জব্বার নকীবের ছেলে ইমাম নকীব, টিপু হাওলাদারের ছেলে হাফিজুল ইসলাম, মৃত. আবদুল গনি হাওলাদারের ছেলে মো. নাসির হাওলাদার, সৈয়দ মাহবুবুল আলমের ছেলে সৈয়দ ফাহাজুল হাওলাদার, মৃত. আবদুল বারেক হাওলাদারের ছেলে মোঃ রিয়াজ হাওলাদার, মৃত. আকবর গাজীর ছেলে হালিম গাজী, আবদুল আজিজ খলিফার ছেলে সিয়াম আহমেদ, নূর জামাল নকীবের ছেলে শাওন নকিব, নাসির হাওলাদারের ছেলে মো. রিজন হাওলাদার, নুরুল আলম বিশ্বাসের ছেলে জহিরুল ইসলাম এবং দেলোয়ার হাওলাদারের ছেলে মো. রনি হাওলাদার।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকালে পায়রা নদীতে মা ইলিশ শিকারের সময় উপজেলা টাস্ক ফোর্সের নিয়মিত অভিযানে মাছ ধরার অভিযোগে ২ জন জেলেকে আটক করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পার্শ্ববর্তী উপজেলা বাকেরগঞ্জের দুধল মৌ এলাকা থেকে ট্রলারযোগে প্রায় অর্ধশত নারী-পুরুষ এসে প্রশাসনের ওপর হামলা করে। হামলার অভিযোগে ১৮ জন জেলেকে আটক করা হয়।
পরে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দুমকি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহীন মাহমুদ এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাহান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।
পুলিশ ও মৎস্য বিভাগ সূত্র জানায়, আংগারিয়া ইউনিয়নে পায়রা নদীতে ইলিশ শিকারের সময় ওই জেলেদের আটক করে দুমকি থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
এ পর্যন্ত এই টাস্ক ফোর্সের অভিযানে মোট ১৬ জন জেলেকে আটক করে জেল জরিমানা করা হয়েছে।