× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ডিমলার আশ্রয়ণ প্রকল্প

‘তিন-চার মাস হামাক পানিত ডুবি থাকির নাগে’

ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২৪ ১০:০৩ এএম

আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০২৪ ১০:৫৪ এএম

অপরিকল্পিতভাবে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করায় বছরের চার-পাঁচ মাস পানিতে ডুবে থাকে। সম্প্রতি ডিমলার কেল্লাপাড়া থেকে তোলা

অপরিকল্পিতভাবে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করায় বছরের চার-পাঁচ মাস পানিতে ডুবে থাকে। সম্প্রতি ডিমলার কেল্লাপাড়া থেকে তোলা

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানীতে ২০২০-২১ অর্থবছরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫০টি ঘর নির্মাণ করা হয়। ঘরগুলো অপরিকল্পিতভাবে করায় বর্ষা মৌসুমে নদীর পানিতে ডুবে যায়। এই প্রকল্পের শতাধিক মানুষ বছরের প্রায় চার থেকে পাঁচ মাস পানিবন্দি থাকে।

স্থানীয়রা জানায়, ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের কেল্লাপাড়া গ্রামটি তিস্তা নদীর বেশিরভাগ জায়গাজুড়ে অবস্থিত। যেখানে আশ্রয়ণ প্রকল্প করা হয়েছে সেখানে গত ১৫ বছর পূর্বে প্রবাহমান নদী ছিল। পরবর্তীতে সেখানে চর জেগে উঠেছে। জেগে ওঠা চরের মধ্যেই অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করা হয়েছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫০টি ঘর। দুই শতাংশ জমি ও প্রতিটি ঘর নির্মাণের জন্য বরাদ্দ ছিল প্রায় ২ লাখ টাকা। 

প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা বলছেন, প্রতিবছর বন্যায় আশ্রয়ণের ভেতরে ও বাইরে ২ থেকে ৩ ফুট পর্যন্ত পানি ওঠে। পানি দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত থাকে। তা ছাড়া চলাচলের রাস্তাও নেই। এই খারাপ অবস্থার কারণে অনেকেই নামমাত্র মূল্যে ঘর বিক্রয় করে অন্যত্রে চলে গেছে।

সুবিধাভোগী হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে আশ্রয়ণের ঘরে বাস করি। সামান্য বন্যা হলে এখানে পানি ওঠে। বাচ্চারা স্কুলে যেতে পারে না, বাজার-ঘাট যেতে পারি না। চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় আমাদের।’

বানেছা বেগম নামে আরেকজন বলেন, ‘সরকার হামার গিলাক এমন জাগাত ঘরগুলো দিছে, তিন-চার মাস হামাক পানিত ডুবি থাকির নাগে। ছোয়া ছোট গিলা স্কুল যাবার পায় না।’

ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আশ্রয়ণের ঘরগুলো অপরিকল্পিতভাবেই নির্মাণ করা হয়েছে। নির্মাণের সময় আমি চেয়ারম্যান ছিলাম না। প্রকল্পের বাসিন্দাদের সমস্যার কথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করেছি।’

প্রকল্পের সদস্য সচিব ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেজবাহুর রহমান। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এই প্রকল্পের জমি নির্ধারণ করেছে ভূমিসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তারা যে জায়গা নির্ধারণ করেছে, আমরা সেই জমিতে ঘর নির্মাণ করে দিয়েছি।’ 

জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল মিয়া বলেন, ‘আশ্রয়ণের ঘরগুলো আগে নির্মাণ করা হয়েছে। আমি উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। তবে প্রকল্পের বাসিন্দাদের এই সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা