বাগেরহাট প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২৪ ১৮:৪৮ পিএম
আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২৪ ১৮:৫৪ পিএম
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সচেতন বাগেরহাটবাসীর ব্যানারে মানববন্ধন থেকে তোলা। প্রবা ফটো
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল আহসান ও সিভিল সার্জন জালাল উদ্দিন আহমেদের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সচেতন বাগেরহাটবাসীর ব্যানারে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। দাবির পক্ষে একাত্মতা ঘোষণা করে জেলা বিএনপি, যুবদল, শ্রমিক দল ও মহিলা দলের নেতারা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন- জেলা বিএনপির আহ্বায়ক
কমিটির সদস্য শাহেদ আলী রবি, সৈয়দ নাসির আহমেদ মালেক, মেহেবুবুল হক কিশোর, হাদিউজ্জামান
হিরো, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি তারিকুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মাহবুবুর রহমান টুটুল,
শ্রমিক দল নেতা সরদার লিয়াকত আলী, জেলা মহিলা দলের সভাপতি শাহিদা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক
নার্গিস আক্তার ইভা, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী সাদ্দাম দীপ প্রমুখ।
কর্মসূচি থেকে জেলা প্রশাসককে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে
বাগেরহাট ছেড়ে যাওয়ার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। না হলে আরও বড় কর্মসূচির ঘোষণা দেয় আন্দোলনকারীরা।
অন্যদিকে মানববন্ধন চলাকালে জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি হারুণ-অর-রশীদ ও সাধারণ সম্পাদক
সুজা উদ্দিন মোল্লা সুজনের নেতৃত্বে একই দাবিতে একটি মিছিল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের
সামনে আসে। মিছিলকারীরা জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনের অপসারণ ও শাস্তির দাবি জানায়।
গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বাগেরহাট সরকারি
বালিকা বিদ্যালয়ে জরায়ুমুখে ক্যানসার সৃষ্টিকারী হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের (এইচপিভি)
প্রতিরোধী টিকা প্রদান অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল আহসানের উপস্থিতিতে বক্তব্যের
শেষে জয় বাংলা স্লোগান দেন সিভিল সার্জন জালাল উদ্দিন আহম্মেদ। বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
ছড়িয়ে পড়লে সিভিল সার্জনের অপসারণের দাবিতে ক্ষোভে ফেটে পড়ে স্থানীয়রা। ওই দিন রাতেই
জেলা বিএনপি ও যুবদলের নেতৃত্বে সিভিল সার্জনের অপসারণের দাবিতে দফায় দফায় বিক্ষোভ
হয়।
এদিকে বৃহস্পতিবার রাতের পর থেকে সিভিল সার্জন
অফিস করছেন না। একটি সূত্র জানিয়েছে তিনি বাগেরহাটে নেই। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আহমেদ
কামরুল আহসান বলেন, ‘একটি সরকারি সভায় সিভিল সার্জন যে বক্তব্য দিয়েছেন, সে বিষয়টি
ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয়রা যে অভিযোগ তুলেছেন সেসবের কোনো
ভিত্তি নেই। প্রতিটি বিষয় মন্ত্রণালয়কে জানানো হবে, সেখান থেকে যে নির্দেশনা আসবে সে
অনুযায়ী কাজ করা হবে।’