× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সেতু আছে, নেই সংযোগ সড়ক

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২৪ ১৬:২৩ পিএম

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২৪ ১৬:৩২ পিএম

সেতু আছে, নেই সংযোগ সড়ক

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে নির্মাণের সাত বছরেও হয়নি দুই সেতুর সংযোগ সড়ক। এতে করে চরম দুর্ভোগে পড়েছে অন্তত ১০ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। ফলে মানুষের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সেতু দুটি। 

রবিবার (২৭ অক্টোবর) সরেজমিনে উপজেলার গোছামারা দড়ি চন্ডিবের টেকের খাল ও গোছামারা রামশংকর পুর দায়ড়ার খালের দুটি সেতুর এমন চিত্র দেখা যায়। সেতু আছে নেই দুপাশের পাকা সড়ক। জমি থেকে কয়েক ফুট ওপরে সেতু। স্বাভাবিকভাবে চলাচলেই দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সেখানে বৃষ্টি হলে তো চলাচল অসম্ভব হয়ে পড়ে। চলতে গেলে ঘটে হতাহতের ঘটনা।

এ সময় স্থানীয়রা দুই সেতুর ব্যবহার না করতে পেরে নানা দুর্ভোগের কথা প্রতিদিনের বাংলাদেশ প্রতিনিধির কাছে তুলে ধরেন। সেতুগুলো দুপাশে মাটি ভরাট করে জনসাধারণের চলাচলের উপযোগী করে তুলবেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এমনটাই মনে করছেন গ্রামবাসীসহ শিক্ষার্থীরা।

ভৈরব উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু-কালভার্টের কর্মসূচির আওতায় ভৈরব উপজেলার গোছামারা দড়ি চন্ডিবের টেকের খাল ও গোছামারা রামশংকর পুর দায়ড়ার খালের দুটি সেতু-কালভার্ট নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় প্রায় ৮৭ লাখ ৭৯ হাজার ১০৬ টাকা। 

এ বিষয়ে এলাকাবাসী জানান, সেতু দুটি নির্মাণের পর কয়েক বছরেরও সেতু দুই পাশের সংযোগ সড়কে পড়েনি কোনো মাটি। যার ফলে নির্মিত সেতু দুটি ব্যবহারে হতে বঞ্চিত হচ্ছে গ্রামবাসী। সংযোগ সড়ক না থাকায় গ্রামবাসীর কোনো উপকারেই আসছে না।

স্থানীয় কৃষক জিল্লু মিয়া, নাসির মিয়া, বাছির মিয়া, বলেন, বর্ষা মৌসুমে সেতুটির সঙ্গে সংযুক্ত রাস্তা দিয়ে চলাচলের সুযোগ নেই। ওই মৌসুমে নৌকা দিয়ে পারাপার হতে হয়। সেতু ছাড়া সংযোগ সড়কটি পানির নিচে তলিয়ে যায়। 

শিমুলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ ৫নম্বর ওয়ার্ড সাবেক আনিছ মেম্বার বলেন, ‘এ ধরনের রাস্তা ছাড়া ব্রিজ হওয়ার কোনো মানে হয় না। শুকনো মৌসুমে সেতুতে উঠা নামা করতে গিয়ে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। ধান ক্ষেতের আইলসহ বিকল্প পথ দিয়ে চলাচল করতে হয়। এতে করে মালামাল পরিবহনে গুনতে হয় বাড়তি টাকা। এই পাড়ের মানুষকে ওপারে যেতে হলে ঘুরতে হচ্ছে কয়েক কিলোমিটার রাস্তা। এতে ভোগান্তিতে পড়েন দুই অঞ্চলের মানুষ। 

শিমুলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ, চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমান রিপন বলেন, ‘ব্রিজের দুপাশে উঁচু থাকায় বালিমাটি দিয়ে ভরাট করার কারণে সরে যায়। সামনে বরাদ্দ পেলে মাটি ভরাট করে দেওয়া হবে।

ভৈরব উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাগর হোসেন সৈকত বলেন, ‘অতি বৃষ্টি ও পানির কারণে মাটি থাকে না, বরাদ্দ পাওয়ার সাপেক্ষে আমরা অতিসত্বর কাজ করব। এই সমস্যা সমাধানের পদক্ষেপ নেব।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা