× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বন্যার প্রভাব

নিউমোনিয়া-ডায়রিয়া কমলেও বাড়ছে চর্মরোগাক্রান্ত রোগী

তৈয়বুর রহমান সোহেল, কুমিল্লা

প্রকাশ : ২৫ অক্টোবর ২০২৪ ১৭:০৫ পিএম

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২৪ ১৭:০৬ পিএম

নিউমোনিয়া-ডায়রিয়া কমলেও বাড়ছে চর্মরোগাক্রান্ত রোগী

কুমিল্লায় বন্যা পরবর্তী সময়ে বাড়তে থাকে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও চর্মরোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। তবে দিন দিন নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা কমতে থাকলেও বাড়ছে চর্মরোগে আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিদিনই হাসপাতালে ভর্তি না হলেও আউটডোরে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে শত শত চর্মরোগে আক্রান্ত রোগী।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ এলাকার একাধিক হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে এবং বিভিন্ন ক্লিনিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, বন্যা চলমান অবস্থায় দুর্গত এলাকায় মানুষের চর্মরোগ দেখা দেয়। বানভাসি মানুষ বিভিন্ন মেডিকেল ক্যাম্প এবং স্থানীয় ফার্মেসি থেকে পরামর্শ নিয়ে ওষুধ কিনে কিছুটা প্রতিরোধ করে। বন্যার পানি কমতে শুরু করলে ডায়রিয়া এবং নিউমোনিয়ার প্রকোপ বাড়ে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে ওই সময় বেশ কিছু রোগী ভর্তি হয়। একসময় নিউমোনিয়া এবং ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমে আসে। কিন্তু বন্যা পুরোপুরি শেষ হয়ে যাওয়ার পর বর্তমানে আবারও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চর্মরোগীর সংখ্যা। এতে হাসপাতালগুলোতে চাপ বাড়ছে।

গতকাল কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা যায়, চর্ম ও যৌন রোগের বহির্বিভাগে রোগীদের ভিড়। সবাই সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলেও কিছু রোগী অনেক সময় ভিড় ঠেলে ভেতরে প্রবেশ করছেন। রোগীদের সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে সেখানকার দায়িত্বরত লোকজন। লাইনে মহিলা রোগীর সংখ্যা পুরুষের তুলনায় বেশি। 

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা চর্ম ও যৌন বিভাগের রোগীদের তালিকা লিপিবদ্ধ করেন রুবেল হোসেন। তিনি বলেন, ‘বন্যার আগে প্রতিদিন গড়ে ২০০ রোগী বহির্বিভাগে সেবা নিতেন। বর্তমানে প্রতিদিন তা ৩০০ ছাড়িয়ে যাচ্ছে।’ 

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘বন্যার পর হাতে গুটির মতো কিছু উঠেছে। গ্রামে ওষুধ খেয়েছি, লাভ হয়নি। তাই এখানে এসেছি।’

সদর উপজেলা থেকে আসা রোগী পারভীন আক্তার বলেন, ‘আমার বাড়ির কাছাকাছি কয়েকটি কারখানা আছে। সেখান থেকে ময়লা পানি পাশের খাল দিয়ে প্রবাহিত হয়। বন্যার পর সব পানি একসঙ্গে মিশে যায়। এ পানির মধ্যে দুই মাসের বেশি সময় থাকতে হয়েছে। ময়লা পানি লেগে পুরো শরীরের চামড়া উঠে যাওয়ার মতো অবস্থা।’ 

চর্ম ও যৌন বিভাগের চিকিৎসক সোহাগ চক্রবর্তী বলেন, ‘আগের চাইতে এখন রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। দীর্ঘদিন বন্যাদুর্গত এলাকার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। খোসপাঁচড়া ও ফাঙ্গাল পেশেন্ট বেশি।’

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক নিশাত সুলতানা জানান, বর্তমানে হাসপাতালে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া রোগী কমেছে। তবে চর্মরোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন বেশি। বন্যা দীর্ঘায়িত হওয়া অঞ্চলে আক্রান্তের হারও বেশি।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা