× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

হারিছ চৌধুরীর পরিচয় নিশ্চিত

মেয়ের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ সিআইডির

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২৪ ২০:১৩ পিএম

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২৪ ২০:৩৭ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

উচ্চ আদালতের আদেশে প্রয়াত বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরীর পরিচয় নিশ্চিতে ডিএনএ নমুনা দিয়েছেন তার মেয়ে সামিরা তানজিন চৌধুরী। সোমবার নমুনা দিতে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ে যান তিনি। পরে সিআইডির ফরেনসিক বিভাগ তার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে।

আদালতের নির্দেশে গত ১৬ অক্টোবর বিরুলিয়া ইউনিয়নের কমলাপুর জালালাবাদ এলাকার জামিয়া খাতামুন্নাবিয়্যীন মাদ্রাসার কবরস্থান থেকে ডিএন পরীক্ষার জন্য মাহমুদুর রহমান নামে দাফন করা মরদেহ কবর থেকে তোলা হয়। পরে মরদেহের নমুনা সংগ্রহ করে সিআইডি।

এর আগে ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর গত ৫ সেপ্টেম্বর বাবার পরিচয় শনাক্তে মেয়ে সামিরা তানজিন চৌধুরী হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। আদালত মরদেহ উত্তোলন করে ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে হারিছ চৌধুরীর মরদেহ উত্তোলন করে নমুনা সংগ্রহ করল সিআইডির ফরেনসিক বিভাগ।

বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় হারিছ চৌধুরী বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব ছিলেন। তবে ওয়ান-ইলেভেনে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হলে তাকে আর প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, হারিছ চৌধুরী ৬৮ বছর বয়সে ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান। তারপর ঢাকার অদূরে সাভারে একটি মাদ্রাসার কবরস্থানে মাহমুদুর রহমান নামে তাকে দাফন করা হয়। তখন আবার হঠাৎই আলোচনায় আসে হারিছ চৌধুরীর নাম।

ডিএনএ নমুনা দিয়ে সিআইডি কার্যালয় থেকে বের হয়ে সামিরা তানজিন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, আমি বলেছি আমার বাবা মারা গেছে, কিন্তু গত সরকার এটা মেনে নেয়নি। তা না হলে কাউকে আমার বাবাকে খুঁজে দিতে হবে। আমার বাবা তো নিরুদ্দেশ থাকতে পারে না। কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে এটার একটি সার্টিফিকেট লাগবে। তার মৃত্যুর বিষয়টা প্রমাণ হতে হবে। সব মানুষেরই মানবিক অধিকার থাকে। আমার বাবার মানবিক অধিকার রক্ষা হয়নি।

আওয়ামী লীগ সরকারের ওপর ক্ষোভ ঝেড়ে হারিছ চৌধুরীর মেয়ে বলেন, আগের সরকারের প্রতিহিংসার পাত্র ছিল আমার বাবা। আমার আব্বু গত সরকারের আমলে নির্যাতিত হওয়ার মধ্যে অন্যতম একজন। সে দেশ ছেড়ে চলে যায়নি। তখন ওই সরকারের পক্ষ থেকে অপপ্রচার চালানো হয়, হারিছ চৌধুরী লন্ডনে মারা গেছে, যাতে করে ইন্টারপোল থেকে নাম সরানো যায়।

তিনি বলেন, মাহমুদুর রহমান নামে আব্বুর মরদেহ কখনই দাফন করা হয়নি। আমি যখন সত্যি কথা বলি তখন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ভয় পেয়ে যায়Ñ যাদের মাধ্যমে আব্বুর মরদেহ দাফন করা হয়েছিল। তখন তারা আমার কাছে সার্টিফিকেট চায়। এর মধ্যে একটি গণমাধ্যমে এ বিষয়ে বিস্তারিত সংবাদ প্রকাশ হয়ে যায়।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা