গাজীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ অক্টোবর ২০২৪ ২২:১৭ পিএম
আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২৪ ২২:১৮ পিএম
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, পোশাক শ্রমিকদের কোনো পেনশন নেই। অন্য পেশাজীবীদের মতো পোশাক শ্রমিকদের পেনশন ব্যবস্থা চালু করার স্বপ্ন দেখি আমি। এ ব্যাপারে কারখানা মালিকদের সহযোগিতা আশা করছি।
বুধবার (১৬ অক্টোবর) সকালে গাজীপুরের টঙ্গীর পাগাড় এলাকায় জাবের অ্যান্ড জুবায়ের ফেব্রিকস লিমিটেড কারখানায় সরকার কর্তৃক পোশাক শ্রমিকদের ন্যায্যমূল্যে টিসিবি পণ্য বিক্রয় কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এসব কথা বলে তিনি।
উপদেষ্টা নাহিদ বলেন, শ্রম অঞ্চলে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু হলো। আশা করছি, ধাপে ধাপে দেশের সব শ্রম অঞ্চলে এ কার্যক্রম শুরু করতে পারব। শ্রমিকদের দাবিগুলোর মধ্যে ১৮টি মেনে নেওয়া হয়েছে। দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য কাজ চলছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শতাধিক শ্রমিক প্রাণ দিয়েছেন। তাই শ্রমিকদের সব সময়ই অগ্রাধিকার বেশি।
এ সময় তিনি আরও বলেন, সীমাহীন দুর্নীতি, লুটপাটের পরও দেশের অর্থনীতি টিকে আছে পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভর করে। দীর্ঘ লড়াই শেষে আমরা দায়িত্বে এসেছি। প্রতিনিয়ত নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছি আমরা। শ্রম অঞ্চলে অসন্তোষের ঘটনায় বহিরাগতরা জড়িত। এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলামের সভাপতিতে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম উদ্দিন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এএইচএম শফিকুজ্জামাম, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তফা ইকবাল, গাজীপুর জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফিন ও নোমান গ্রুপের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম নোমান প্রমূখ।
গতকাল কারখানাটির এক হাজারজন শ্রমিককে টিসিবির পণ্য তুলে দেওয়া হয়। পরে কয়েকটি ধাপে কারখানাটির ১৩ হাজার শ্রমিককে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যগুলোর মধ্যে ৫ কেজি চাল, ২ কেজি তেল ও ২ কেজি ডাল রয়েছে। শ্রমিকদের প্রতি মাসের পাওনা বেতন থেকে টিসিবির পণ্যের মূল্য বাবদ ৪৭০ টাকায় কেটে নেওয়া হবে।