সাভার প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ অক্টোবর ২০২৪ ১৭:৫৬ পিএম
আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২৪ ১৮:১০ পিএম
হারিছ চৌধুরীর মরদেহ তোরা হয়েছে। প্রবা ফটো
এক সময়ের প্রভাবশালী বিএনপি নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীর মৃত্যু নিয়ে রহস্যের জট খুলতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য কবর থেকে তার মরদেহ তোলা হয়েছে।
বুধবার (১৬ অক্টোবর) সকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রাসেল ইসলাম নূরের উপস্থিতিতে কবর থেকে মরদেহ তোলা হয়।
ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয়ের বিচার শাখা থেকে দেওয়া নির্দেশে সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের কমলাপুরের জালালাবাদ এলাকায় অবস্থিত জামিয়া খাতামুন্নাবিয়্যিন মাদ্রাসার কবরস্থান থেকে তার মরদেহ তোলা হয়।
৫ সেপ্টেম্বর বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরীর মেয়ে ব্যারিস্টার সামিরা তানজিন চৌধুরীর রিট আবেদনের শুনানি শেষে তার লাশ কবর থেকে তুলে ডিএনএ টেস্টের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মাহবুবুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এ ছাড়া হারিছ চৌধুরীর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে তার পরিচয় প্রমাণের জন্য ডিএনএ পরীক্ষা করানো, পরিচয়ের ইতিবাচক ফলাফল, মৃত্যুর সনদ পাওয়া, ইন্টারপোলের রেড নোটিস থেকে তার নাম মুছে ফেলা এবং তাকে নিজ জেলায় মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যথাযথ সম্মানের সঙ্গে দাফন করার আবেদন করেন তার মেয়ে তানজিন চৌধুরী।
সামিরা তানজিন চৌধুরী বলেন, ‘আমরা চাই মরদেহ শনাক্ত করে আমাদের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যেতে চাই। সেখানে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যথাযথ সম্মান ও সনদ দিয়ে দাফনের কার্যক্রম শেষ করতে দাবি জানাচ্ছি।’
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটে এস এম রাসেল ইসলাম নূর বলেন, সিআরপিসি ১৭৬/ ২ ধারা মোতাবেক সামিরা তানজিন চৌধুরীর করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ তোলা হয়েছে। এ জন্য আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া ছিল। মরদেহ তোলা হয়েছে । ফরেন্সিক বিভাগ সিম্পল সংগ্রহ করছে। পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে জানা যাবে এ দেহাবশেষ হারিছ চৌধুরীর কি না।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৪ সেপ্টেম্বরের আছরের নামাজের পর ‘মাহমুদুর রহমান’ নামে একজনকে লাখ টাকা অনুদানের মাধ্যমে জামিয়া খাতামুন্নাবিয়্যিন মাদ্রাসার কবরস্থানে দাফন করা হয়। পরবর্তীতে হারিছ চৌধুরীর মেয়ে সামিরা তানজিন চৌধুরী দাবি করেন যে এটি তার বাবা হারিছ চৌধুরীর মরদেহ।