চট্টগ্রাম বিএনপির বিবৃতি
চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৪ ২০:৩৯ পিএম
আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০২৪ ২১:১৪ পিএম
চট্টগ্রামের জেএম সেন হলের পূজামণ্ডপে ইসলামি সংগীত পরিবেশনের ঘটনাকে ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’ হিসেবে দেখছে বিএনপি।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ ও সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান এক বিবৃতিতে ওই ঘটনার নিন্দা জানানোর পাশাপাশি এর পেছনে কোনো ‘অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য’ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
শুক্রবার (১১ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘চট্টগ্রামে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপে ইসলামি সংগীত পরিবেশন নিয়ে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। পূজামণ্ডপে গিয়ে এ ধরনের আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত এবং নিন্দনীয়। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।’
হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজার্থী ভক্তরা ‘সর্বোচ্চ ধৈর্য ও সংযম’ প্রদর্শন করেছেন উল্লেখ করে তাদের ধন্যবাদ দিয়ে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এটুকু নিঃসন্দেহে বলা যায়, যারা মঞ্চে উঠে গান করেছেন, তারা সুবিবেচনার পরিচয় দেননি। এটি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের নামান্তর। কিন্তু হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজার্থী ভক্তরা সর্বোচ্চ ধৈর্য ও সংযম প্রদর্শন করেছেন, আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাই।’
এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জেএম সেন হলে যা ঘটেছে, তার জন্য কার দায় কতটুকু, এর পেছনে কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল কি না, সেটা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা মনে করি, আমাদের প্রত্যেকের একে অপরের ব্যক্তিগত ও ধর্মীয় আচরণ এবং যার যার স্বতন্ত্র আচার উৎসবের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত। এক্ষেত্রে কোনোভাবেই জোরজবরদস্তি কিংবা চাপিয়ে দেয়ার মতো কিছু যেন করা না হয়।’
বিএনপি সব সময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের নীতিতে বিশ্বাস করে উল্লেখ করে আরও বলা হয়, ‘ধর্ম যার যার কিন্তু আমরা সবাই বাংলাদেশি। ভবিষ্যতে আমাদের মধ্যকার সম্প্রীতি বিনষ্ট হয়, দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়, এমন যেকোনো কর্মকাণ্ড রুখে দেওয়ার জন্য আমরা প্রশাসন ও নির্বিশেষে সকল জনসাধারণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।’