সুনামগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০২৪ ১৪:৫০ পিএম
আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২৪ ১৫:২২ পিএম
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, সুনামগঞ্জ। প্রবা ফটো
সুনামগঞ্জে সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী ও সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এমএ মান্নানের
জামিন শুনানিতে দুই পক্ষের আইনজীবীদের হট্টগোলে এজলাস ছেড়েছেন বিচারক সিনিয়র জেলা ও
দায়রা জজ মো. হেমায়েত উদ্দিন।
বুধবার (৯ অক্টোবর) বেলা ১১টায় জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিন শুনানিতে এ ঘটনা ঘটে। সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. হেমায়েত উদ্দিন এজলাসে ওঠার পরই দুই পক্ষের আইনজীবীদের হট্টগোল শুরু হয়। এমন ঘটনার পর এজলাস ছাড়েন তিনি। দুপুর আড়াইটায় শুনানির সময় নির্ধারণ করা হয়।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শেরেনুর আলী বলেন, ‘বিচারক
এজলাসে আসার পর দুই পক্ষেই হট্টগোল হয়েছে। আমরা বলেছি, এ মামলাটা এ আদালতে অস্বাভাবিকভাবে
আনা হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা বাদীপক্ষ জানি না। এ নিয়ে আজ শুনানি করতে চাই না। অন্যান্য
মামলার মতো এ মামলার শুনানির তারিখ পরে দেওয়ার জন্য আদালতকে বলেছি আমরা। কিন্তু
আদালত আমাদের কথা শুনতে চাননি। আসামিপক্ষ শুনানিতে অংশগ্রহণের জন্য তোড়জোড় করেছে।
এটি নিয়ে হট্টগোল হয়েছে। পরে বিচারক এজলাস থেকে নেমে যান।’
শুনানিতে পিপি-এপিপিদের ভূমিকা কী ছিল? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘পিপি-এপিপিরা রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে থাকার কথা। তারা আসামিপক্ষে
থেকেছেন। নিম্ন আদালতেও এ বিষয় নিয়ে আমরা প্রতিবাদ করেছি। আজকেও করেছি। এ পরিস্থিতিতে
সুনামগঞ্জে বিচার কার্যক্রম আগামীতে আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে।’
বাদীপক্ষের আরেক আইনজীবী মল্লিক মইনউদ্দিন সোহেল বলেন, ‘কোনো আইনজীবীর সাবমিশন ছাড়া অ্যাডমিশনটা অস্বাভাবিক। এতে আদালতকে
নিয়েও প্রশ্নের উদ্রেক হয়। আমরা মনে করছি এ অস্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় জামিন শুনানি অস্বাভাবিকই
হবে। এমন আশঙ্কা রয়েছে।’
এ ছাড়া কথা বলেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাসুক আলম।
উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনে আহত এক শিক্ষার্থীর ভাই হাফিজ আলী বাদী হয়ে ৯৯ জনকে আসামি করে সুনামগঞ্জ
দ্রুত বিচার আদালতে মামলা করেন। মূলত এ মামলায় কারাগারে আছেন সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী
এমএ মান্নান।