× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বিয়ানীবাজারে ‘সাজানো মামলায়’ গ্রেপ্তার দুই যুবলীগ নেতা কারাগারে

বিয়ানীবাজার (সিলেট) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৪ ০০:০৫ এএম

আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২৪ ০০:১০ এএম

রোকন এবং কলিম উদ্দিন। ফাইল ফটো

রোকন এবং কলিম উদ্দিন। ফাইল ফটো

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট সিলেটের বিয়ানীবাজারে সংঘর্ষে নিহত রায়হান হত্যা মামলায় দুই যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৫ অক্টোবর) তাদেরকে সিলেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন জানায় পুলিশ। আদালত রিমান্ড আবেদন নাকচ করে কারাগারে প্রেরণ করেন। এর আগে শুক্রবার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এই দুই যুবলীগ নেতাকে ‘সাজানো মামলায়’ গ্রেপ্তার করা হয়েছে জানিয়ে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে তাদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন আওয়ামী পরিবারের অনেকেই।

গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার ঘুঙ্গাদিয়া গ্রামের মৃত ইসহাক আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম রোকন এবং লাউতা ইউনিয়নের জলঢুপ কালীবহর গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে কলিম উদ্দিন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক দফা দাবিতে গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বিকালে উল্লসিত ছাত্র-জনতা বিয়ানীবাজার থানায় হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় থানার ভেতর থেকে গুলি করে পুলিশ। এতে তিন যুবক নিহত এবং অন্তত ১০ জন গুলিবিদ্ধ হন। নিহতদের মধ্যে একজন রায়হান উদ্দিন। তিনি ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানার তেলিকান্দি গ্রামের মো. ফারুক উদ্দিনের ছেলে। ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাকে দাফন করা হয়। ওই সময় থেকে রোকন এবং কলিম উদ্দিন সামাজিকমাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রায়হান উদ্দিন নিহতের ঘটনায় তার বড়ভাই বুরহান উদ্দিন গত ২৬ আগস্ট সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদসহ ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৭০-৮০ জনকে আসামি করে বিয়ানীবাজার থানায় হত্যা মামলা করেন। এই মামলায় কলিম উদ্দিন ১৫ নম্বর এবং সাইফুল ইসলাম রোকন ৩০ নম্বর আসামি ছিলেন।

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনামুল হক চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ৫ আগস্ট নিহত রায়হান হত্যা মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যা ও অন্যান্য মামলার সকল আসামিদের গ্রেপ্তারে থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

গত ৫ আগস্ট তারেক আহমদ ও ময়নুল ইসলাম নামে আরও দুজন নিহতের ঘটনায়ও পৃথক দুটি হত্যা মামলা হয়েছে। দায়েরকৃত ৩ হত্যা মামলার মধ্যে শতাধিক আওয়ামী নেতাকর্মীর নামে মামলা হয়েছে। এর মধ্যে আটজন প্রবাসীও রয়েছেন। এর মধ্যে তারেক হত্যা মামলার বাদী নিহতের মা ইনারুন নেছা আসামিদের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়েরের কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি মামলা প্রত্যাহার চেয়ে আদালতে লিখিত আবেদনও করেছেন।

এদিকে প্রথম থেকেই এ তিনটি হত্যা মামলাকে ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক’ দাবি করে আসছে আওয়ামী লীগ। তারা অভিযোগ করেছেন- সাজানো মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না বলে অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া আশ্বাস মাঠ পর্যায়ে অনুসরণ করা হচ্ছে না।

শনিবারও ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন, ‘আগে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করতো, ১০ জনের নাম দিত আর ৫০ জন দিত বেনামী। এখন কিন্তু পুলিশ মামলা করছে না। মামলা করছে সাধারণ জনগণ। কিন্তু মামলা হলেই গ্রেপ্তার নয়। আগে তদন্ত হবে। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলেই কেবল তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা