প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২৩:৩০ পিএম
আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৭:৫০ পিএম
ধর্ম উপদেষ্টার একান্ত সহকারী সচিব শরিফুল ইসলাম বলেছেন, ছাত্র
আন্দোলনে নিহত ও আহত পরিবারের প্রতিটি সদস্য আমাদের পরিবারের সদস্য। তাদের সুখে-দুঃখে
পাশে দাঁড়াতে হবে। যেকোনো উৎসব আয়োজনেও তাদেরকে পাশে রাখতে হবে। ভুলে গেলে চলবে না,
স্বাধীন দেশ গঠনে তাদের আত্মত্যাগ সবচেয়ে বেশি।
তরুণদের নতুন বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন,
‘নতুন করে যেন কোনো স্বৈরাচার তৈরি হতে না পারে সেজন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং
মেধাবৃত্তিক কর্মমুখী প্রজন্ম গড়ে তুলতে সবাইকে সোচ্চার ভূমিকা পালন করতে হবে।’
শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় সংলগ্ন ডেমরা সারুলিয়ায় শহীদ স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ, আহত, কারাবন্দি ও স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করা শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও কেমন বাংলাদেশ চাই শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ৬০০ শিক্ষার্থীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন শেখ মুহাম্মাদ মাহবুবুর রহমান। সম্মাননা
প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম উপদেষ্টার একান্ত সহকারী সচিব শরিফুল ইসলাম, ৬৭
নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী মো. ইবরাহীম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন-এর কেন্দ্রীয়
সমন্বয়ক নাজমুল হাসান, যুগান্তরের সিনিয়র সাংবাদিক মাহবুব মনি, অ্যাডভোকেট মনির হোসেন,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিভিত্তিক সংগঠন বোঝাপড়ার সমন্বয়ক এম এম শোয়াইব, তরিকুল
ইসলাম, মহিউদ্দিন আহমদ, স্বৈরাচার পতন আন্দোলনে ভূমিকা রাখা নতুন বাংলাদেশ গড়ার আত্মপ্রত্যয়ী
তরুণ শিক্ষার্থীরা।