রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৮:১৮ পিএম
আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৯:৪২ পিএম
রূপগঞ্জের পূর্বাচল উপশহরে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যসহ যাদের নামে প্রভাব খাটিয়ে অন্যায়ভাবে প্লট বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে, সেসব বরাদ্দ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় আদিবাসীরা।
শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে পূর্বাচলে ৩০০ ফুটে সড়ক অবরোধ করে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক দুলাল হোসেন বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন।
ক্ষতিগ্রস্ত আদিবাসী সোলেমান, কাসেম মিয়া, আব্দুল মান্নান, রতন মিয়া, মোতালিব মিয়া, গোফরান মিয়া, অ্যাডভোকেট জাকারিয়া, রোকেয়া আক্তার, রফিকুল ইসলাম ও রতন মিয়া বলেন, ‘উপজেলার ভোলানাথপুর, ইউসুফগঞ্জ, আলমপুরা, পড়শী, হারারবাড়ি, পিংলান, ডেলনা, থামসি, কুমারটেক, গোবিন্দপুর, চাপরি, হিরনাল, রঘুরামপুর ও পলখানসহ বেশ কয়েকটি এলাকা নিয়ে নতুন শহর প্রকল্প (পূর্বাচল উপশহর) গড়ে উঠেছে। প্রায় ২ হাজার আদিবাসী আবেদন করে বছরের পর বছর বছর ঘুরেও প্লট পায়নি। কিন্তু বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে অনেকে অন্যায়ভাবে প্লট নিয়েছেন। এমনকি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার পরিবারও একই কায়দায় প্রভাব খাটিয়ে প্লট বরাদ্দ নিয়েছে। যারা প্রভাব খাটিয়ে প্লট বাগিয়ে নিয়েছেন ওইসব প্লটের বরাদ্দ বাতিল করে আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত আদিবাসীদের মাঝে বণ্টন করে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। তা নাহলে আমরা আরও বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তুলব।’
এ সময় কয়েক দফা দাবি তুলে ধরেন বিক্ষোভকারীরা। সেগুলো হলো-
আওয়ামী পরিবারের বরাদ্দকৃত সব প্লট বাতিল করতে হবে; যারা আবেদন করতে পারেনি তাদের আবেদন করার সময় দিতে হবে; আদিবাসী ক্ষতিগ্রস্তদের প্লট বরাদ্দ দিতে হবে, বৈষম্যহীনভাবে আদিবাসীদের ৩ কাঠা ৫ কাঠা সাড়ে ৭ কাঠা ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ দিতে হবে, যৌথ প্লট বরাদ্দ বাতিল করে একক নামে প্লট বরাদ্দ দিতে হবে; ক খ গ এয়ার্ড যাদের তাদের প্লট দিতে হবে, সড়ক উন্নয়নের নামে দুর্নীতির তদন্ত করতে হবে; ১৪২ তলা টাওয়ার নির্মাণের নামে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির বিচার করতে হবে; জলসিড়ি বসুন্ধরার সঙ্গে ভবন করার ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করতে হবে, ছিন্নমূল আদিবাসীদের ফ্ল্যাটের ব্যবস্থা করতে হবে; ঝিলমিল উত্তরা ১৬ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়, বৈষম্য দূর করে ১৬ শতাংশ প্লট বরাদ্দ দিতে হবে এবং আওয়ামী গোপালি শেখ নজরুল ডিরেক্টর শেখ শাহিন কালো আইন করে আদিবাসীদের জেনারেলের নামে ২ লাখ অতিরিক্ত ফিসহ সব হয়রানি বন্ধ করতে হবে।