মধ্যাঞ্চলীয় অফিস
প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২২:০৬ পিএম
আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২২:২৩ পিএম
প্রতীকী ছবি
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বাড়ি ফেরার পথে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সিএনজিচালকসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ার জাহান বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ভৈরবের দুর্জয় মোড় থেকে সিএনজিচালক শাহ আলমকে (২৮) গ্রেপ্তার করা হয় এবং রাত ১টার দিকে আকবরনগর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তানভীরকে (২৩)। তার কাছ থেকে মেয়েটির মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। আকবরনগর বাসস্ট্যান্ডে ফ্লেক্সিলোডের দোকান রয়েছে তানভীরের।
জানা গেছে, বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ভৈরব থেকে অটোরিকশা করে কিশোরগঞ্জ যাওয়ার পথে কুরিয়ারচর এলাকায় সিএনজিচালক ও তার এক সহযোগী ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় কুলিয়ারচর থানায় ধর্ষণ মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী বরিশালের একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পড়াশোনা করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, মেয়েটি বরিশাল থেকে কিশোরগঞ্জে বাড়িতে আসার জন্য বুধবার বেলা ২টার দিকে ঢাকার বাসে ওঠেন। রাত ৯টার দিকে ঢাকার সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ডে আসেন। সায়েদাবাদ থেকে বাসে ভৈরবে পৌঁছান রাত ১২টায়। ভৈরব থেকে কিশোরগঞ্জে যাওয়ার বাস না থাকায় তিনি একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন। সেটিতে দুই পুরুষ ও এক নারী যাত্রী ছিলেন। কিছু দূর যাওয়ার পর চালক ফোন দিয়ে তার এক সহযোগীকে গাড়িতে তুলে নেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, দীর্ঘ ভ্রমণের কারণে বাদী ক্লান্ত থাকায় একপর্যায়ে গাড়িতে ঘুমিয়ে পড়েন। এর মধ্যে গাড়ির অন্য যাত্রীরা নেমে যান। ঘুম থেকে উঠে বাদী দেখেন, গাড়িতে তিনি এবং চালক ও ফোন করে আনা সহযোগী। রাত পৌনে ২টার দিকে কুলিয়ারচরের কলাকুপার চম্পাকান্দা এলাকায় মেয়েটিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। পরে তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও টাকা কেড়ে নেয় তারা। গভীর রাতে তিনি একা হেঁটে যাওয়ার সময় পথে একজনের সঙ্গে দেখা হয়। তিনি জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯–এ কল দিলে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।