বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২১:৩০ পিএম
আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২১:৫৯ পিএম
পটুয়াখালীর বাউফলের কালাইয়া হাটবাজারের খাজনা তোলা নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের তিনজন আহত হয়েছে। শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৭টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বাজারের প্যাদা রোড এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মালিকান ইসলাম ওরফে স্বপন মৃধা, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুর হোসেন খান ও তার ছেলে জুবায়ের হোসেন খান। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
দলীয় সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্টের পর উপজেলার অন্যতম বড় বন্দর কালাইয়া হাটবাজারের খাজনা ওঠানো নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহদপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেনের অনুসারী কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জসিম আহমেদ (তুহিন) ও সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদারের অনুসারী উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গাজী গিয়াস উদ্দিনের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। বিরোধের জেরে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় জসিম ও গিয়াস উদ্দিনের অনুসারীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে তিনজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়। আহতদের মধ্যে স্বপন মৃধা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তুহিনের অনুসারী। অপরদিকে নুর হোসেন খান ও তার ছেলে বিএনপির অপর অংশ গিয়াস উদ্দিন গ্রুপের লোক।
এ বিষয়ে জসিম আহমেদ ও গাজী গিয়াস উদ্দিনের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তারা ব্যস্ত আছেন বলে জানান। সংঘর্ষের জন্য দুজন একে অপরকে দোষারোপ করেন। বাউফল থানার ওসি শোনিত কুমার গায়েন বলেন, দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়ান। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কালাইয়া হাটবাজারের ইজারাদার ছিলেন উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম ফয়সাল আহম্মেদ ওরফে মনির মোল্লা। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সমঝোতার ভিত্তিতে যুবলীগ নেতার থেকে বাজার ইজারা নেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জসিম আহমেদ।