কক্সবাজার অফিস
প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২২:১২ পিএম
আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২২:২৮ পিএম
বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র শহর কক্সবাজার এখন পানিতে সয়লাব। পর্যটন জোন কলাতলীর হোটেল-মোটেল এলাকা, সৈকতের লাবণী পয়েন্ট থেকে সুগন্ধা পয়েন্ট, শহরের বাজারঘাটা, গোলদীঘির পাড়, বৌদ্ধ মন্দির সড়ক, পাহাড়তলী, পেশকারপাড়া, সমিতিপাড়া, কুতুবদিয়াপাড়া পানিবন্দি রয়েছে। একই সঙ্গে বৃষ্টিতে প্লাবিত হয়েছে টেকনাফ-উখিয়ার অন্তত অর্ধশত গ্রাম।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ৯২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সেই সঙ্গে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। এতে পাহাড় ধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান বলেন, টেকনাফে দুই দিনের ভারী বর্ষণে ৩০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অর্ধ লাখ মানুষ। গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে টানা বৃষ্টিতে টেকনাফের হোয়াইক্যং, হ্নীলা, টেকনাফ সদর, বাহারছড়া, শামলাপুর, সাবরাং ইউনিয়নের অনেক বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করেছে। উখিয়ার কুতুপালং এলাকার ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন জানিয়েছেন, বৃষ্টিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ উখিয়ার ২০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
শহরের গোলাদীঘির পাড় এলাকার বাসিন্দা হিল্লোল দাস জানিয়েছেন, বৃষ্টিতে প্লাবিত হয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বসতঘর প্লাবিত হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক বিভীষণ কান্তি দাশ বলেন, বৃষ্টিতে শহরের অনেক এলাকা পানিবন্দি রয়েছে। টেকনাফ-উখিয়ার কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পাহাড় ধসের আশঙ্কা মাইকিং করে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের নিরাপদে আশ্রয় নিতে বলা হচ্ছে।