বরগুনা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৮:৩৮ পিএম
আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৮:৪৪ পিএম
শেষ হয়েছে বন্যা।
কিন্তু সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয়ের মেয়াদ শেষ হয়নি বরগুনার বামনা উপজেলার রামনা শেরেবাংলা
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের। পরিবার নিয়ে সাইক্লোন সেন্টারে স্থায়ীভাবে বসবাস
করেন তিনি। ২০২০ সালে নিয়োগের পর থেকেই সপরিবারে ওই ভবনেই বসবাস করছেন প্রধান শিক্ষক।
বন্যাকবলিত এলাকায়
দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্মাণ করা হয় সাইক্লোন শেল্টার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
এগুলো তৈরি করা হয়। একদিকে বিদ্যালয়ের পাঠদান চলে, অন্যদিকে বন্যা বা ঘূর্ণিঝড় হলে
স্থানীয় জনসাধারণ এখানে আশ্রয় নিতে পারে। বন্যা বা ঘূর্ণিঝড় ছাড়াই বিদ্যালয়ের প্রধান
শিক্ষক স্থায়ীভাবে সেখানে বসবাস করেন।
প্রধান শিক্ষকের
তথ্যমতে, ম্যানেজিং কমিটি রেজল্যুশন করে তাকে সাইক্লোন শেল্টারে থাকতে দিয়েছে। এমনকি
তার বসবাসের ব্যবহৃত বিদ্যুৎ বিলও প্রতিষ্ঠানের তহবিল থেকে পরিশোধ করা হচ্ছে।
এদিকে প্রতিষ্ঠানের
অনুকূলে পিবিজিএসআই স্কিম বরাদ্দের অর্থ শুধু শিক্ষকদের অংশ বিতরণ করে বাকি অর্থের
সামান্য খরচ করে আত্মসাৎ করেছেন প্রধান শিক্ষক। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এমনটি অভিযোগ
করেন ওই প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষক।
প্রধান শিক্ষক
মো. জাকির হোসেন বলেন, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি রেজল্যুশনের মাধ্যমে সাইক্লোন শেল্টারের
তৃতীয় তলায় তাকে থাকতে দিয়েছে। বিদ্যুৎ বিল ও বাসাভাড়া প্রতিষ্ঠান বহন করবে তারও রেজল্যুশন
আছে।
এ বিষয়ে বামনা
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি মো. আল ইমরান বলেন, আমি
এ বিষয়ে অবগত নই। লিখিত কোনো অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।