× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

কমলনগর-রামগতির ৩০ শতাংশ এলাকা এখনও পানির নিচে

আমানত উল্যাহ, কমলনগর (লক্ষ্মীপুর)

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৬:২৩ পিএম

এক সপ্তাহ ধরে বৃষ্টি না থাকলেও লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও রামগতি উপজেলার অনেক এলাকায় পানি তেমন কমেনি। এতে বেশিরভাগ ঘরবাড়িতে এখনও পানি রয়েছে। শুক্রবার কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের আউলিয়ানগর থেকে তোলা। প্রবা ফটো

এক সপ্তাহ ধরে বৃষ্টি না থাকলেও লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও রামগতি উপজেলার অনেক এলাকায় পানি তেমন কমেনি। এতে বেশিরভাগ ঘরবাড়িতে এখনও পানি রয়েছে। শুক্রবার কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের আউলিয়ানগর থেকে তোলা। প্রবা ফটো

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও রামগতিতে বন্যা পরিস্থিতির এখনও উন্নতি হয়নি। দুই উপজেলায় এখনও বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে ৩০ শতাংশ এলাকা। খুবই ধীরে ধীরে পানি নামছে। বন্যার পানি প্রতিদিন কোথাও এক ইঞ্চি, কোথাও দুই ইঞ্চি আবার কোথাও তিন ইঞ্চি কমছে। এখনও পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষ।

এক সপ্তাহ ধরে বৃষ্টি না থাকলেও কমলনগর ও রামগতিতে বন্যা পরিস্থিতির তেমন একটা উন্নতি হয়নি। এর কারণ হিসেবে ভূলুয়া নদী ভরাট ও বেদখলকে দায়ী করছে স্থানীয়রা। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ, চরকাদিরা ও রামগতি উপজেলার চরবাদাম, চরআলগী এবং চরপোড়াগাছা ইউনিয়নের গ্রামগুলোর পানি নামার একটিমাত্র পথ হলো ভূলুয়া নদী। দখলের কারণে এই ভূলুয়া নদী এখন খালে পরিণত করেছে। এই নদী দিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথগুলো ভরাট ও বেদখল হয়ে গেছে। ফলে বাড়িঘরের পানি ভূলুয়া নদী দিয়ে নামছে ধীরগতিতে।

গতকাল শুক্রবার এসব এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, বন্যাকবলিত এলাকাগুলোর অধিকাংশ সড়কের কোথাও হাঁটুপানি বা কোথাও একটু কম, আবার কোথাও বুকপানি। বেশিরভাগ বসতঘরে এখনও পানি। কিছু কিছু বসতঘর থেকে পানি নামলেও সেগুলো এখনও বসবাসের উপযোগী হয়নি। এ কারণে আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া লোকজনও এখনই বাড়ি ফিরতে পারছে না।

রামগতির চরপোড়াগাছা ইউনিয়নের মধ্য কলাকোপা ডাক্তারপাড়া নোমানাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া গৃহিণী শিরিন আক্তার বলেন, বাড়ির উঠানে এখনও কোমরপানি। ঘরের মেঝেতে হাঁটুপানি। ঘরের কাঁচা ভিটা পুরোটা নষ্ট হয়ে গেছে। থাকার উপায় নেই। তাই আরও কয়েকদিন আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে হবে।

কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের আউলিয়ানগর এলাকার সিরাজুল ইসলাম বলেন, এক মাসের বেশি আমরা ঘরের বাইরে আশ্রয় নিয়ে আছি। ঘরে ঢোকার মতো অবস্থা এখনও হয়নি। কবে নিজের বসতঘরে ফিরতে পারব তা বলতে পারছি না।

কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুচিত্র রঞ্জন দাস ও রামগতির ইউএনও সৈয়দ আমজাদ হোসেন বলেন, পানি নিষ্কাশনের জন্য ভূলুয়া নদীসহ খালগুলোতে অবৈধভাবে স্থাপিত বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা ইতোমধ্যে অপসারণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা স্লুইচগেট খুলে দেওয়া হয়েছে। সব এলাকার পানি নামছে ধীরগতিতে। এতে লোকজনের কষ্ট যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে বন্যায় ক্ষতির পরিমাণ। তারা জানান, বন্যার পানিতে আটকে পড়া মানুষদের সরকারি-বেসরকারিভাবে ত্রাণ দেওয়া অব্যাহত রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে এখনও প্রায় ১০ হাজারের মতো মানুষ আছে। সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতায় তাদের প্রতিদিন দুই বেলা রান্না করা খাবার দেওয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা