সাভার প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৪:২২ পিএম
আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৪:৩৩ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া লাশ স্তূপ করার ১ মিনিট ১৪ সেকেন্ডের ভিডিও নিয়ে কাজ শুরু করেছে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি। ইতোমধ্যেই কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে চিহ্নিত করা গেছে বলে জানিয়েছে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার আহম্মদ মুঈদ।
রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে আশুলিয়া থানা পরিদর্শনে এসে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার আহম্মদ মুঈদ সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার বলেন, যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে সেটি আমাদের নজরে এসেছে। আমাদের জায়গা থেকে যা করণীয় তা আমরা করছি। ইতোমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা তদন্ত করছে। আমরা সবার সহযোগিতায় পেয়ে গেছি, কারা কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, কারা উপস্থিত ছিলেন। আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য নামগুলো প্রকাশ করছি না। খুব তাড়াতাড়ি আপনাদের সামনে প্রকাশ করা হবে।
আহম্মদ মুঈদ বলেন, যেগুলো ভিডিওতে এসেছে সেগুলো দেখেছি, তবে ফিজিক্যাল এভিডেন্স এখনও পাইনি। এগুলো নিয়েও আমাদের কাজ চলছে। ইতোমধ্যেই গতকাল একটি নিখোঁজ ডায়েরি হয়েছে। আমরা এটি নিয়েও কাজ করছি। আশা করছি খুব ভালো একটা ফলাফল আসবে। জড়িত পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অপরাধী সে যেই হোক তার বিরুদ্ধে মামলা হবে। পুলিশ আইনের বাইরে নয়।
তিনি আরও বলেন, শুধু ছাত্র-জনতা না, আমাদের অনেক পুলিশ সদস্যকেও আগুনে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। পুলিশ হত্যার মামলাও হবে। প্রধান উপদেষ্টার সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে, মানবাধিকার লঙ্ঘন হলে গুরুত্বের সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৈষম্যবিরোধী কোটা আন্দোলনকারীরা ৫ আগস্ট নবীনগর চন্দ্রা মহাসড়কের বাইপাইল এলাকায় জমায়েত হতে থাকেন। পরে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের খবরে আন্দোলনকারীরা আশুলিয়া থানার দিকে অগ্রসর হয়। এ সময় পুলিশ আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ ঘটনায় ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় ১৫ জনের মৃত্যু হয় (ভ্যানে তোলা লাশের হিসাব বাদে)। ঘটনার ১৫ দিন পর পুলিশ লাশ স্তূপ করার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে একটি ভ্যানে ছয়জনের মৃতদেহ দেখা হয়। পরবর্তীতে ঘটনাটি আশুলিয়া থানার পাশে বলে নিশ্চিত হওয়া যায় ।