সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৪ ১১:০১ এএম
আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০২৪ ১১:৪৬ এএম
সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড থেকে সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া পর্যন্ত চট্টগ্রামমুখী লেনে ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। প্রবা ফটো
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড থেকে সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া পর্যন্ত চট্টগ্রামমুখী লেনে ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ভোর থেকেই এ যানজটের ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও চালকরা।
তীব্র যানজটের কারণে সকালে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। অল্প দূরত্বের পথ হেঁটেই গন্তব্যে ছুটছেন অনেকে। বাসচালক থেকে শুরু করে যাত্রীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটের জন্য মহাসড়কে বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে। ফলে পাঁচ মিনিটের পথ আধা ঘণ্টায়ও পাড়ি দেওয়া যাচ্ছে না।
বুধবার (২৮ আগস্ট) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মোগরাপাড়া, টিপুরদী এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে এমনই চিত্র লক্ষ করা যায়। সকাল সাড়ে ১০টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যানজট কমেনি।
আবদুর রহমান নামে একজন চাকরিজীবী বলেন, ‘আমি প্রতিদিন সোনারগাঁ থেকে ঢাকায় গিয়ে অফিস করি। আজ সকাল থেকেই তীব্র যানজটের কারণে এখনও রাস্তায় আছি। হেঁটে তো ঢাকা যাওয়া সম্ভব না। কিছুক্ষণ পর যানজট না কমলে বাড়ি ফিরে যেতে হবে।’
মিনারা বেগম নামে এক গার্মেন্টসকর্মী বলেন, ‘আমি নারায়ণগঞ্জ ইপিজেডে গার্মেন্টে কাজ করি। প্রতিদিন ভোরে গিয়ে কাজে যোগদান করি। কিন্তু আজ রাস্তায় এত যানজট থাকায় ঘন্টাখানেক দাঁড়িয়ে ছিলাম। এখন উপায় না পেয়ে মদনপুরের ভেতর দিয়ে বেশি টাকা খরচ করে নদী পার হয়ে গার্মেন্টসে যাব। আমাদের তো হিসাবের টাকা এভাবে যানজট হলে আমরা খুব অসুবিধার মধ্যে পড়ি।’
যাত্রীবাহী বাসচালক আতাউল মিয়া বলেন, ‘সকালে যাত্রাবাড়ী থেকে বাস নিয়ে দুই ঘণ্টায় মদনপুর এলাম। এভাবে যানজট হলে আমাদের সারা দিনের ইনকাম বন্ধ হয়ে যায়।যাত্রীরা যারা ছিল বিরক্ত হয়ে কিছুক্ষণ পর পর রাস্তায় নেমে পড়েছে। যানজট কখন শেষ হয় বলা যায় না।’
কাঁচপুর হাইওয়ে থানার শিমরাইল ক্যাম্পের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আবু নাইম বলেন, ‘যানজট নিরসনে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। তবে কী কারণে যানজট সৃষ্টি হয়েছে তা আমার জানা নেই।’
কাচঁপুর হাইওয়ে থানার ওসি রেজাউল হকের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।