প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৪ ১৬:৫৩ পিএম
আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০২৪ ১৭:২৭ পিএম
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গাজী টায়ার্স কারখানায় আগুনের ঘটনায় ১৭৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন দাবি করেছেন পরিবারের সদস্যরা। তবে তাদের কেউ কারখানার শ্রমিক নন, বলছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। ধারণা করা হচ্ছে, কারখানায় লুটপাট কিংবা অন্য কোনো কাজে তারা এসেছিলেন।
আগুন লাগা কারখানার সামনে সোমবার (২৬ আগস্ট) দুপুর থেকে নিখোঁজদের স্বজনেরা ভিড় জমাতে থাকেন। তখন ফায়ার সার্ভিস নিখোঁজের তালিকা তৈরির উদ্যোগ নেয়। বেলা ৩টা পর্যন্ত ১৭৩ জনের নিখোঁজের তালিকা করে ফায়ার সার্ভিস।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (ঢাকা) লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেজাউল করিম বলেন, ‘স্বজনরা যারা দাবি করছেন যে, তাদের পরিবারের সদস্যরা নিখোঁজ রয়েছেন, যারা গতরাতে লুটপাটের সময় এ কারখানায় এসেছিলেন। আমরা তাদের একটি খসড়া তালিকা করেছি। এ মুহূর্তে তা যাচাই-বাছাইয়ের কোনো সুযোগ নেই। স্বজনরা যারা দাবি করছেন তাদের নাম, ঠিকানা লিখে রাখছি।’
জানা যায়, গতকাল রাত সাড়ে ১০টার দিকে গাজী টায়ার্স কারখানায় আগুন লাগার খবর পেয়ে ছুটে যায় ফায়ার সার্ভিস। ঢাকা ফুলবাড়িয়া ফায়ার স্টেশন, ডেমরা, কাঁচপুর, আদমজী ইপিজেড ও কাঞ্চন ফায়ার স্টেশন থেকে একে একে যোগ দেয় ১২টি ইউনিট।
আজ সোমবার দুপুরের দিকেও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ফলে ভবনগুলোর ভেতর যাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
রেজাউল করিম বলেন, আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ভবনগুলোর ভেতর যাওয়া যাচ্ছে না। আগুন নিভলে ভেতরে ঢুকে বোঝা যাবে, কেউ মারা গেছেন কি না।
স্থানীয়রা বলছেন, সাবেক মন্ত্রী ও গাজী গ্রুপের চেয়ারম্যান গোলাম দস্তগীর গাজীকে গ্রেপ্তারের পর থেকে কারখানাটিতে গণহারে লুটপাট চলে। আগুন লাগার সময়ও লুট করতে গিয়ে বেশ কয়েকজন ভেতরে আটকা পড়েছেন বলে দাবি করেন।
তবে আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কিছুই ধারণা করতে পারছে না ফায়ার সার্ভিস। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এলে কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।