বগুড়া অফিস
প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৪ ২০:১০ পিএম
আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০২৪ ২০:১৩ পিএম
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বগুড়া।
গত ১৫ বছরে বগুড়ার গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিসে কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আয় ব্যয়ের হিসাব চেয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা।
রবিবার (২৫ আগস্ট) বগুড়ার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা ববারর দেওয়া স্মারকলিপিতে এ ব্যাপারে উল্লেখ করা হয়। এসব আয় ব্যয়ের হিসাব বিবরণী আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাখিল করতে দাবি জানান তারা। একইসঙ্গে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বগুড়ায় বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানো হয় স্মারকলিপিতে।
স্মারকলিপিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র ও জনসাধারণের পক্ষে স্বাক্ষর করেন নজরুল ইসলাম, ওমর ফারুক এবং বাদশা।
এতে উল্লেখ করা হয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে হুকুম দখল শাখা, ট্রেজারী শাখা, রেকর্ড রুম শাখা, আরএম শাখা, রাজস্ব শাখা, ভিপি শাখা, বিআরটিএ শাখা, জেলা হিসাব রক্ষণ অফিস, জেলা ত্রাণ ও পুণর্বাসন অফিস, উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা ভূমি অফিস, পৌর ভূমি অফিস, ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার অফিসারের কার্যালয়ে কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিগত ১৫ বছরে আয় ব্যয়ের হিসাব বিবরণী আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে দাখিল করার দাবি জানানো হচ্ছে।
এছাড়াও জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের আওতাধীন চার্জ অফিসার রওনক জাহান, বগুড়া সদরের সহকারি সেটেলমেন্ট অফিসার মজিদ, ভারপ্রাপ্ত পেশকার মোফাজ্জল হোসেন ও তার অধিনস্ত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী আয় বহির্ভুতভাবে দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা সম্পদের মালিক বনে গেছেন। এসব কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্পদের তথ্য সাত কার্যদিবসের মধ্যে দাখিল করার জোর দাবি জানানো হচ্ছে। একইসঙ্গে তারা জেলা রেজিস্টার অফিস, সাব রেজিস্টার অফিসে কর্মরত ব্যক্তিদের তথ্য দাখিল এবং এসব অফিসে অবৈধভাবে চাঁদাবাজি বন্ধ করতেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
বগুড়া জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের চার্জ অফিসার রওনক জাহান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, 'স্মারকলিপি প্রদানের ব্যাপারে জেনেছি। আমি কয়েক মাস হলো এখানে যোগদান করেছি। কোন অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর যদি অফিসিয়ালি জানতে চায় সেটির জবাব দেওয়া হবে।'
বগুড়া জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (ভারপ্রাপ্ত) মো. মেজবাউল করিম বলেন, স্মারকলিপি গ্রহণ করা হয়েছে। যথাযথ বিধি মেনে স্মারকলিপি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হবে।