চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৪ ২২:০৩ পিএম
তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ- এর প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেছেন, ‘বর্তমান বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দাবস্থায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিকূলতাসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকশিল্প কঠিন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। পরিস্থিতি উত্তরণে সরকারসহ সকলের সহযোগিতায় প্রয়োজন।’
মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নব-নিযুক্ত চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস.এম. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।
সৈয়দ নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দ বন্দর চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তার কার্যালয়ে যান।
সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ডখ্যাত তৈরি পোশাকশিল্প ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য স্থির করেছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। আমরা রাষ্ট্রকে একটি উন্নততর অবস্থায় পৌঁছে দিতে চাই। এর জন্য আমাদেরকেও যৌক্তিক কিছু সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। এক্ষেত্রে আগামী দিনের কথা চিন্তা করে বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, বে-টার্মিনালের কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়াসহ পর্যাপ্ত হ্যান্ডলিং ইক্যুপমেন্ট ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের উপর গুরুত্ব দিতে হবে।’
বিজিএমইএ এর সহ-সভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘তৈরি পোশাকশিল্প সম্পুর্ণ “টাইম-বাউন্ড” শিল্প খাত। বিদেশি ক্রেতার নির্ধারিত লিড টাইমের মধ্যে রপ্তানিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠান মারাত্মক আর্থিক ক্ষতিতে পতিত হওয়ার সমূহ আশংকা থাকে। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে যদি আমদানি-রপ্তানিতে কোনো প্রকার বিঘ্ন ঘটে তবে এ শিল্প কোনভাবেই এর ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবে না। মুখ থুবড়ে পড়বে দেশের অর্থনীতি, যা আমাদের কারও কাম্য নয়।’
বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দের কথা শুনে বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান তাদেরকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। রিয়ার এডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে শতভাগ রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্প এ দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। তাই পোশাক রপ্তানি প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমদানি-রপ্তানি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম দ্রুততার সঙ্গে সম্পাদনে সচেষ্ট থাকবে।’
এসময় বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনাসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নে বিজিএমইএ, সংশ্লিষ্ট স্টেক হোল্ডারসহ সব মহলের আন্তরিক সহযোগিতা চান তিনি।