মধ্যাঞ্চলীয় অফিস
প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৪ ১৭:০৬ পিএম
আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২৪ ১৭:০৭ পিএম
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমদাদুল হক জুটনের অপসারণের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে উপজেলা বিএনপি। প্রবা ফটো
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমদাদুল হক জুটনের অপসারণের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে উপজেলা বিএনপি।
রবিবার (১৮ আগস্ট) সকাল থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় এমদাদুল হকের অপসরণের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেয় তারা। দুপুর পর্যন্ত পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদ গেইটের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে তারা।
একই সঙ্গে পুনর্নির্বাচন অথবা প্রশাসন কর্তৃক ওইসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছে নেতকর্মীরা। অন্যথায় মানববন্ধনসহ কঠোর কর্মসূচি গ্রহণের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।
অবস্থান কর্মসূচিতে বিএনপির পক্ষে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান মাসুদ, পৌর বিএনপি সভাপতি এসএএম মিনহাজ উদ্দিন,যুগ্ম আহ্বায়ক উপজেলা বিএনপি আব্দুস সাত্তার, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম, পৌর বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক সিদ্দিক হোসেন রিপন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মিজানুর রহমান খান সুমন, সদস্য সচিব রাকিবুল রাকিবুল আলম ছোটন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল হক উজ্জ্বল- সদস্য সচিব শাহিন আলম জনি প্রমুখ।
এ সময় তারা বলেন, প্রায় ১৬ বছর আওয়ামী লীগ সরকার গুম-খুনের রাজনীতি করেছে। বিনা ভোটে তারা সরকার গঠন করেছে। নিশিরাতের ভোটেও তারা ক্ষমতায় ছিল। গত ৭ জানুয়ারি তাদের নাটকীয় নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে আসেনি। এরপরও তারা সরকার গঠন করে। ক্ষমতায় থাকাকালীন তারা স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করেছে দেশে।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান মাসুদ বলেন, ‘সারা বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্থানীয় সরকার (জেলা ও উপজেলা, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদ) প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভোটারবিহীন নির্বাচনে অবৈধ জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ ও প্রতিহত করার ঘোষণা দেওয়া হয়। আমরাও পাকুন্দিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এমদাদুল হক জুটনকে অপসারণ করে পুনর্নির্বাচন অথবা প্রশাসন কর্তৃক ওইসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনার আহ্বান জানিয়ে মানববন্ধন করেছি। অবস্থান কর্মসূচিতে আমাদের দাবি আদায় না হলে আমরা কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছি।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। ভোট ছাড়াই আওয়ামী অবৈধ সরকার জেলা পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছে। এরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। এরা ‘অবৈধ’ জনপ্রতিনিধি।