সিরাজগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৪ ১৬:২১ পিএম
১৫ বছর আগে বেলকুচি উপজেলা বিএনপির কার্যালয় দখল করে নেয় সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস। পরে সেখানে আওয়ামী লীগ কার্যালয় নামে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলকুচি প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন বেলকুচি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বেলকুচি উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের জায়গাটি আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি। সেখানে বেলকুচি উপজেলা বিএনপির কার্যালয় ছিল। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস দখল করে বিএনপির অফিস ভেঙে আওয়ামী লীগ অফিস নির্মাণ করেন। পরবর্তীতে আমরা এ বিষয়ে মামলা দায়ের করি। হাইকোর্ট থেকে আমরা মালিকানা প্রাপ্তও হই। পরে সুপ্রিম কোর্টও হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন। সে সময় আমরা জায়গাটি দখলের চেষ্টা করলেও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের প্রভাবের কারণে দখল নিতে পারিনি।
আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর ছাত্র-জনতা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের নাম মুছে ফেলে এবং পুনরায় বিএনপির কার্যালয় হিসেবে সাইনবোর্ড লিখে দেয়। তবে কিছু পত্রিকায় আওয়ামী লীগ কার্যালয় দখল নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে। যা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মওলা খান বাবলু, বেলকুচি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান, হাফিজুর রহমান আকন্দ, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম, পৌর যুবদলের সিরাজুল ইসলাম, বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন প্রামানিক প্রমুখ।
সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস বলেন, জায়গাটি নিয়ে সরকারের সঙ্গে আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলের বাবা ও চাচাদের মামলা ছিল। পরে তারা মামলার রায় পান। আমি রাজ্জাক মন্ডলের চাচা আব্দুল হাই মন্ডল ও স্থানীয় আক্তার কমিশনারের কাছ থেকে কিছু জায়গা ক্রয় করে সেখানে ভবন নির্মাণ করে আওয়ামী লীগ কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করি।