জয়পুরহাট প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২৪ ১৯:১১ পিএম
জয়পুরহাট সদর থানা। প্রবা ফটো
প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের পর আক্রমণের শিকার হয়েছে জয়পুরহাট সদর থানা। সোমবার (৫ আগস্ট) বিকালে থানায় হামলা চালিয়ে আগুন দেওয়া হয়। আক্রমণের পর পুলিশশূন্য হয়ে পড়া এই থানার পাহারায় রয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা গেছে।
প্রত্যক্ষাদর্শীরা জানান, সোমবার বিকালে আনন্দমিছিলের এক পর্যায়ে জয়পুরহাট থানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও আগুন দেওয়া হয়। পুলিশ গুলি করেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। এক পর্যায়ে সেনাবাহিনী গিয়ে সেখানে আটকে থাকা পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করেন। আগুনে থানার বিভিন্ন মালামাল পুড়ে গেছে। থানার হেফাজতে থাকা কিছু মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এসময় লুটপাটও করা হয়েছে।
থানায় গিয়ে দেখা যায়, থানার প্রধান গেট বন্ধ। পশ্চিম দিকের দেওয়াল ভাঙা। সেখান দিয়ে উৎসুক জনতা থানার ভেতর দেখছেন। কেউ আপসোস করছেন আবার কেউ সন্তুষ্ট প্রকাশ করছেন। ভেতরে কোন পুলিশ সদস্যকে দেখা যায়নি। কয়েকজন শিক্ষার্থী থানা পাহারা দিচ্ছেন। কাউকে ভেতরে যেতে দিচ্ছেন না।
প্রধান গেট দিয়ে বের হওয়ার সময় কথা হয় এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘থানায় কোন পুলিশ সদস্য নেই। আমরা কয়েকজন শিক্ষার্থী থানা পাহারা দিচ্ছি। কেউ যেন কোন কিছু নিয়ে যেতে না পারে সেজন্য আমরা রয়েছি। ভেতরে সাংবাদিক প্রবেশ নিষেধ।’
জয়পুরহাট থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘থানার অনেক মালামাল পুড়ে গেছে। অনেকেই অনেক কিছু লুট করে গিয়ে গেছে। সেনাবাহিনী আমাদের উদ্ধার করেছে। কোন রকম প্রাণে বেঁচে গেছি। বেশ আহত হয়েছি।’
এ বিষয়ে জানতে জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবিরের মুঠোফোনে কল করলে তিনি রিসিভ করেননি।