× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সুবিধাবঞ্চিতদের ভেড়া পেলেন সচ্ছলরা

মাদারগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৪ ১৭:২৬ পিএম

আট কেজির বদলে দেওয়া হয়েছে ৪-৫ কেজি ওজনের ভেড়া। প্রবা ফটো

আট কেজির বদলে দেওয়া হয়েছে ৪-৫ কেজি ওজনের ভেড়া। প্রবা ফটো

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় চরাঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিতদের ভেড়া সচ্ছল পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত রবিবার উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ে ৬৩ পরিবারের মাঝে এসব ভেড়া বিতরণ করা হয়। যার মধ্যে বেশিরভাগই নির্ধারিত ওজনের চেয়ে কম ও অসুস্থ বলেও অভিযোগ। কমবয়সি, হাড্ডিসার ভেড়া বিতরণ করায় সুবিধাভোগীদের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গছে, উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী সুবিধাবঞ্চিত ৮৬টি এলাকার নদীবিধৌত চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মাদারগঞ্জ উপজেলার ৬৩ সুবিধাভোগীর মাঝে ১৮৯টি ভেড়া বিতরণ করা হয়। সুবিধাভোগীদের অধিকাংশই চরাঞ্চলের বাসিন্দা নয় এবং তারা সচ্ছল পরিবারের সদস্য। সুবিধাভোগীদের মধ্যে কম্পিউটার ব্যবসায়ী, সাবেক ইউপি সদস্য, এমনকি রাজনৈতিক দলের উপজেলা কমিটির উপদেষ্টাও রয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রাণিসম্পদ অফিসের কয়েকজন জানান, বিতরণের এই তালিকা তিন বছর আগের। তালিকা করেছেন বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিরা।

বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনের সময় ট্রাক থেকে কিছু সুস্থ সবল ভেড়া নামিয়ে ফটোসেশন করতে দেখা যায়। পরে কর্মকর্তারা চলে গেলে ঠিকাদারের নিযুক্ত গবাদিপশুর বেপারি রেজাউল করিম প্রতিটি পরিবারের মাঝে কম ওজনের তিনটি করে ভেড়া বিতরণ করেন। সুবিধাভোগীরা জানান, অধিকাংশ ভেড়ার ওজন ৪-৫ কেজি করে হবে। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী ৮ কেজি ওজনের ভেড়া বিতরণের কথা। 

বিতরণের আগে গণমাধ্যমকর্মীরা দৈবচয়নের ভিত্তিতে কিছু ভেড়ার ওজন মেপে দেখতে বললে রহস্যজনক কারণে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তাতে অনীহা প্রকাশ করে বলেন, ওজন সম্পর্কে তাদের ধারণা আছে।

ট্রাকে করে সিরাজগঞ্জ থেকে ভেড়া নিয়ে আসা বেপারি রেজাউল করিম জানান, ঠিকাদারের নাম জানাতে তার নিষেধ আছে। আর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রিজভী আহমেদের কাছে ভেড়া বিতরণের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম জানতে চাইলে তিনি তা জানেন না বলেও জানান। 

এর আগে এই প্রকল্পের আওতায় মাদারগঞ্জ উপজেলায় পিপিআই রোগে আক্রান্ত ছাগল বিতরণ করা হয়েছিল। রোগাক্রান্ত অন্তত ৫০টি ছাগল মারা গেছে। এ নিয়ে বেশ কয়েকটি জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল। পরে ছাগল বিতরণের কথা ছিল। কিন্তু প্রায় ৮ মাস পেরিয়ে গেলেও তা করা হয়নি। ছাগল বিতরণের দায়িত্বে ছিল ঢাকার ইন্দিরা রোডের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দেওয়ান ব্রাদার্স। একই প্রতিষ্ঠান আবারও মাদারগঞ্জসহ বিভিন্ন উপজেলায় ছাগল বিতরণের দায়িত্ব পেয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। তবে এ তথ্যের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা