খুলনা অফিস
প্রকাশ : ০১ আগস্ট ২০২৪ ২১:৪৫ পিএম
আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২৪ ২১:৫৪ পিএম
কোটা আন্দোলনের নামে শান্ত খুলনাকে আবার অশান্ত করার অপচেষ্টা করছে একটি গোষ্ঠী। মহলটি ফেসবুক-ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারবিরোধী অপপ্রচার ও গুজব এবং উস্কানিমূলক বক্তব্য ছড়াচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটির সভায় অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধা এবং সুশীল সমাজের নেতারা এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন।
সভায় জানানো হয়, দেশবিরোধী অপশক্তি ও এর অনুসারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় অধিক সক্রিয় বলে প্রতীয়মান হয়। ইতিবাচক ও সৃজনশীল মানসিকতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের এসব মাধ্যমে সক্রিয়তা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। মেধা দিয়ে গুজব প্রতিরোধ করতে হবে। শিল্পনগরী খুলনার বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত শ্রমিকসহ অন্যান্য জনগোষ্ঠীকে ভুল বুঝিয়ে দেশবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল চক্র যেন তাদের দলে টানতে না পারে, সেদিকে নজর দেওয়া দরকার। সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা রক্ষায় ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা সার্বক্ষণিক সক্রিয় রাখতে হবে। সভায় জানানো হয়, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে গত বুধবার আটক শিক্ষার্থীদের ইতোমধ্যে অভিভাবক বা শিক্ষকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
সভায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৬-এর পুলিশ সুপার কানাই লাল সরকার, সিভিল সার্জন ডা. শেখ শফিকুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. আলমগীর কবির, খুলনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এসএম নজরুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।