× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সহিংসতার মামলা

গ্রেপ্তার আতঙ্কে আত্মগোপনে খুলনা বিএনপির নেতারা

সুনীল দাস চৌধুরী, খুলনা

প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৪ ০৯:৩৫ এএম

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২৪ ১০:৪৯ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

খুলনায় গ্রেপ্তার আতঙ্কে আত্মগোপনে রয়েছেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল আলম মনা ও সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম বাপ্পীসহ অধিকাংশ নেতা। এমনকি এসব নেতার মোবাইলও বন্ধ। শুধু মহানগর বিএনপির নেতারাই নন, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অধিকাংশ নেতাকর্মীও গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। দিনে তাদের চলাফেরা করতে দেখা গেলেও রাতে বাড়িতে কেউই থাকছেন না। এছাড়া ১৪ দিন ধরে খুলনা বিএনপির দলীয় কার্যালয় তালাবদ্ধ।

বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং কারফিউ পরিস্থিতিতে তারা বিপাকে। ছাত্ররা আন্দোলন ও সহিংসতা করলেও পুলিশ বিএনপির নেতাকর্মীদের আটক করছে। যে কারণে গ্রেপ্তারের ভয়ে দলীয় অফিসমুখী হচ্ছেন না তারা। ইতোমধ্যে নাশকতার নতুন ও পুরোনো মামলায় গত ১৩ দিনে দলটির শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের। তবে পুলিশ বলছে, নাশকতায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। অন্যথায় কাউকে গ্রেপ্তার বা হয়রানি করা হচ্ছে না। 

বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের জের ধরে ১৭ জুলাই পুলিশের একটি দল নগরীর কেডি ঘোষ রোডে দলীয় অফিসের দুজন পিয়নকে তালা লাগিয়ে বেরিয়ে যেতে বলেন। এরপর থেকে দলীয় অফিস তালাবদ্ধ। তাদের অভিযোগ, দলীয় অফিসে নেতাকর্মীরা যেতে পারছেন না। গেলেই গ্রেপ্তারের আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি অফিসের আশপাশের চায়ের দোকানগুলোতে এসেও পুলিশ নেতাকর্মীদের খোঁজাখুঁজি করছে। কোটাবিরোধী আন্দোলনের জের ধরে নাশকতার নতুন তিনটি এবং পুরোনো মামলায় খুলনা মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানা থেকে শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া রাতেও নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

গত শনিবার খুলনা মহানগর বিএনপি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করে, আগের দিন শুক্রবার পুলিশ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল আলম মনাকে খুঁজতে মুন্সিপাড়া এলাকার বাসভবনে যায়। মনা বাড়িতে নেই জানার পরও পুলিশ তার বাসার দরজা ভেঙে ফেলে। পরে গ্রিল কাটার মেশিন দিয়ে গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে তাকে না পেয়ে মনার শ্বশুরবাড়িতে অভিযান চালায়। পুলিশ মনার শ্বশুরবাড়ির দরজাও ভেঙে ফেলে বলে বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়।

বাড়ির দরজা ভাঙার অভিযোগ অস্বীকার করে খুলনা সদর থানার ওসি কামাল হোসেন খান বলেন, নাশকতা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়েছে। কোথাও কোনো ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি। নিরীহ কাউকে হয়রানি বা দলীয় পরিচয়েও কাউকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। 

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী অভিযোগ করেন, কোটা সংস্কারের দাবিতে খুলনায় আন্দোলন করেছে শিক্ষার্থীরা। অথচ নতুন করে পুলিশের দায়ের করা নাশকতার তিন মামলায় বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হচ্ছে। এজন্য নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকেই গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে রয়েছেন। নেতাকর্মীরাও বিব্রত অবস্থায় পড়েছেন। আত্মগোপন ও মোবাইল বন্ধ থাকায় মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবসহ অন্য নেতাদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোজাম্মেল হক জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলনের আড়ালে যারা নাশকতায় জড়িত, তাদেরই শুধু গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। নিরীহ মানুষকে গ্রেপ্তার বা হয়রানি করা হচ্ছে না। যাদের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে, তাদের বিষয়ে পুলিশ কাজ করছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা