কোটা আন্দোলনে সহিংসতা
রংপুর অফিস
প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৪ ১৮:২৯ পিএম
রংপুর সিটি করপোরেশনের ফটক। সংগৃহীত ফটো
কোটা সংস্কার আন্দোলনে কেন্দ্র করে সহিংসতায় রংপুর সিটি করপোরেশনের তিন কোটি ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
রবিবার (২৮ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে করপোরেশন মিলনায়তনে মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা সংবাদ সম্মেলন করে এই তথ্য জানান।
তিনি আরও জানান, গত ১৯ জুলাই সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার দুস্কৃতিকারী রড, এসএস পাইপসহ দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল নিয়ে সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন জায়গায় ভাংচুর করে। সিটি করপোরেশনের নিরাপত্তাকর্মীরা দুস্কৃতিকারীদের বাধা দিলে তারা মারমূখী আচারণ শুরু করে। এতে নিরাপত্তা কর্মীরা সরে যায়।
মেয়র জানান, এ সময় দুস্কৃতিকারীরা নগরীতে স্থাপিত ৬৪টি সিসিটিভি ক্যামেরা, নগরজুড়ে ৩০ কিলোমিটারে ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল, শাপলা চত্ত্বরে স্থাপিত দুটি এবং সিটি করপোরেশনের সামনে স্থাপিত একটি এলইডি টিভি, সিটি করপোরেশন কার্যালয়ের সামনে টাঙানো প্রধানমন্ত্রীসহ মেয়রের ছবি, সিটি করপোরেশনের প্রধান ফটকে স্থাপিত চারটি সিসিটিভি ক্যামেরা, গার্ড রুমের থাই গ্লাস ও গ্রিল, কার্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের রাস্তা সংলগ্ন জানালার থাই গ্লাস, প্রধান ফটকের দুই পাশে অবস্থিত গার্ডেন লাইট, রংপুর সিটি করপোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলের কার্যালয়, নগরীর জাহাজ কোম্পানি মোড় এবং লালকুঠি মোড়ে স্থাপিত ডিজিটাল ট্রাফিক সিগন্যাল, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের সামনে দুটি এলইডি সাইন ভাংচুর করা হয়েছে।
এ ছাড়া সিটি করপোরেশন কার্যালয়ের সামনে থেকে লালবাগ রেলক্রসিং পর্যন্ত রাস্তার মাঝখানে এবং কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ফুটওভার ব্রীজের নিচের দুই পাশে অবস্থিত ডিভাইডার প্রটেকশন গ্রীল, শাপলা চত্ত্বরের গ্রীল ভেঙ্গে নিয়ে গেছে দুস্কৃতিকারীরা।
মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কোটা আন্দোলনঘিরে যে সংঘাত এবং প্রাণহানির ঘটনার তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদসহ দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমা, সচিব জয়শ্রী রানী, প্যানেল মেয়র সামসুল আলম, রংপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোনাব্বর হোসেন মনা, সাধারণ সম্পাদক মেরিনা লাভলী প্রমুখ।