রাঙামাটি প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৪ ২০:০৩ পিএম
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাঙামাটি পৌরসভা প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপন অভিযান ও বৃক্ষ মেলায় বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও রাঙামাটি সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার। প্রবা ফটো
‘বৃক্ষ দিয়ে সাজাই দেশ, সমৃদ্ধ করি বাংলাদেশ’- প্রতিপাদ্যে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপন অভিযান ও বৃক্ষ মেলা-২০২৪।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাঙামাটি পৌরসভা প্রাঙ্গণে মেলার উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও রাঙামাটি সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার।
তিনি বলেন, ‘যখনই কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন হয়, তখন বৃক্ষ নিধনের মচ্ছব চলে। ২০১৪ সালে কয়েক লক্ষ সিএফটি গাছ আমরা নষ্ট করেছি। এই গাছগুলো লাগাতে আরও কত বছর লাগবে! যারা রাজনৈতিক আন্দোলনের নামে গাছ নিধন করবে, তারা নিধনই করবে; আর আমরা গাছ লাগিয়ে যাব। আমাদের কাজ গাছ লাগানো, মানুষদের বাঁচানো, যেন বিশ্বের উষ্ণতা আমরা কমাতে পারি।’
জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ আয়োজিত মেলায় সভাপতিত্ব করেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন- রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী, বন সংরক্ষক রাঙামাটি অঞ্চলের সংরক্ষক মো. মিজানুর রহমান, রাঙামাটি পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদ, সিভিল সার্জন ডা. নূয়েন খীসা, পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. জাহিদুর রহমান মিয়া, রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।
মিজানুর রহমান বলেন, ‘পাহাড়ে সেগুন গাছ, সৃজন ও তামাক চাষ উর্বর মাটিকে ধ্বংস করছে। পরিবেশের ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। এর সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে কাসাভা (আলু জাতীয় এক ধরণের ফসল) চাষ। খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন এলাকায় কাসাভা চাষ ছড়িয়ে পড়েছে।’
পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদ বলেন, ‘রাঙামাটি সিআর (কোর্ট রেজিস্ট্রেশন) মামলার মধ্যে সাড়ে ৮৫০ এর অধিক মামলার ওয়ারেন্ট পেন্ডিং রয়েছে, যার মধ্যে ৬৫০টির বেশি বন বিভাগের।’
তিনি বলেন, ‘রাঙামাটিতে ফৌজদারি মামলা অনেকাংশে কম হলেও আদালতে বন ও পরিবেশ সংশ্লিষ্ট মামলা বেশি। পরিবেশ, বন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সকলকে ভূমিকা রাখতে হবে।’