বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২৪ ২০:০৩ পিএম
আপডেট : ১৭ জুলাই ২০২৪ ২০:০৩ পিএম
সারা দেশে কোটা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও পুলিশের সংঘর্ষে নিহত শিক্ষার্থীদের স্মরণে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও এর অধিভুক্ত কলেজেল শিক্ষার্থী এবং চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুলাই) চট্টগ্রাম নগরীর ঐতিহাসিক লালদিঘির মাঠে বিকেল চারটার দিকে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ উপস্থিত ছিল।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুজাহিদুল ইসলামের ইমামতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও এতে অংশগ্রহণ করেন। জানাজার পর শিক্ষার্থীরা লালদিঘির মাঠ থেকে বিক্ষাভ নিয়ে আন্দরকিল্লাস্থ ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক চত্ত্বরে যায় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে দিনের কর্মসূচির সমাপ্ত ঘোষণা করেন। নিরাপত্তা বিবেচনায় জানাজায় চট্টগ্রামে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক তালহা মাহমুদ রাফি ও মুহাম্মদ রাশেল আহমেদ কেউই অংশ নেননি।
জানাজায় শিক্ষার্থীরা বলেন, ন্যায্য দাবি আদায় করতে গিয়ে রাজপথে আমাদের ভাইয়েরা রক্ত দিয়েছেন। আমাদের ভাইদের রক্ত বৃথা যাবে না। গতকাল ছাত্রলীগ ও পুলিশ আমাদের ভাইদের উপর যে নির্মম হত্যাকাণ্ড চালিয়ে আমরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমাদের একদফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না।
চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন বেশ সহিংস রূপ নেয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে ছয়জন মারা গেছেন। এর মধ্যে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন, চট্টগ্রামে তিনজন এবং ঢাকায় দুইজন নিহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার সারা দেশে গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল করার ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা। তারই ধারাবাহিকতায় এ গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।