× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

রংপুরে গরুর লাম্পি স্কিন রোগে দিশাহারা খামারিরা

রংপুর অফিস

প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০২৪ ১৮:০২ পিএম

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০২৪ ১৮:০৫ পিএম

রংপুর সদর উপজেলার হরিদেবপুরের গ্রামে ল্যাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত একটি গরু। প্রবা ফটো

রংপুর সদর উপজেলার হরিদেবপুরের গ্রামে ল্যাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত একটি গরু। প্রবা ফটো

রংপুরে গরুর লাম্পি স্কিন রোগের কারণে খামারিরা দিশাহারা হয়ে পড়েছে। ভ্যাকসিন দিয়েও সারছে না গরুর এ রোগ। ফলে প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিরা দুশ্চিন্তায় দিন পার করছেন। ইতোমধ্যে অনেক খামারির গরু মারা গেছে। এ রোগ প্রতিরোধে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের একাধিকবার জানিয়েও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ খামারিদের। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বলছেন, তাদের তৎপরতায় এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে লাম্পি স্কিন রোগ। 

সরেজমিনে দেখা যায়, রংপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে লাম্পিং স্কিন রোগে আক্রান্ত গরু রয়েছে। খামারিরা স্থানীয় পশু চিকিৎসকের মাধ্যমে টিকা দিয়েও গরু বাঁচাতে পারছেন না। শুধু সদর উপজেলার হরিদেবপুর ইউনিয়নে ৮০ থেকে ৯০টি পরিবারের শতাধিক গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে। ইতোমধ্যে এ ইউনিয়নের ১০টির বেশি গরুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানান খামারিরা। হরিদেবপুর মাঝিপাড়া গ্রামের মনি চন্দ্র দাসের গরু লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তার গরুর শরীর গরম। সঙ্গে শরীরজুড়ে ছোট ছোট গুটিতে ছেয়ে গেছে। এ রোগে আক্রান্ত গরুটির শরীর ফুলে গেছে, খাবারে অনীহায় দুর্বল হয়ে পড়েছে গরুটি।

মনি চন্দ্র দাস বলেন, ‘এই রোগোত হামার এলাকার যুগলের দুইটা গরু মরি গেইচে। শত চেস্টা করিও অয় বাঁচাবার পায় নাই। এ্যালা মোর গরুতেও সেই রোগ হইচে। পশুর ডাক্তার দিয়া ইনজেকশন দিনু, ওষুধ খাওয়াইতোছি কিন্তু কোন কাম হইতোছে না। একটা গরুর পেছনোত মোর ১৫ হাজার টাকা চলি গেইল। কিন্তু অসুখ সারিল না। এ্যালা যে কি করো বুঝবার পাইতোছো না।’ 

একই এলাকার হেমন্ত চন্দ্র দাস বলেন, ‘পুরো গ্রামের প্রতিটি ঘরে লাম্পিং স্কিন রোগে আক্রান্ত গরু রয়েছে। চোখের সামনে গরুর চামড়া খসে পড়ে যাচ্ছে, যা চোখে দেখা অসহ্যকর। আমরা সরকারিভাবে কোনো সাহায্য পাচ্ছি না।’ 

জানা যায়, রংপুর সদর, গঙ্গাচড়াসহ বিভিন্ন উপজেলায় দেখা দিয়েছে লাম্পি স্কিন রোগ। এ রোগ অসুস্থ গরু থেকে সুস্থ গরুতে ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে দিনদিন এ রোগে আক্রান্ত গরুর সংখ্যা বাড়ছে। প্রাণিসম্পদ দপ্তর জানিয়েছে, বর্ষাকালে লাম্পি স্কিন রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ে। এটি মশা, মাছির মাধ্যমে এক গরু থেকে আরেকটিতে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে দ্রুত সুস্থ গরু সংক্রমিত হয়। 

রংপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, লাম্পি স্কিন রোগ প্রতিরোধে আমরা কাজ করছি। আক্রান্ত গরুকে টিকা দেওয়াসহ খামারিদের নানা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে লাম্পি স্কিন গড ফক্সের ভ্যাকসিন দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। এখন অবস্থা ভালো আছে। বৃষ্টি কমলে অবস্থার আরও উন্নতি হবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা