নেত্রকোণা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০২৪ ১৭:৩৭ পিএম
আপডেট : ১৩ জুলাই ২০২৪ ১৭:৫৮ পিএম
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার তাম্বুলিপাড়া এলাকায় কৈজানি নদীতে নৌকায় ভাসমান জুয়ার আসর বসিয়ে কমপক্ষে অর্ধশত ব্যক্তি জুয়া খেলছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে আটজনকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। তবে এ সময় নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায় অন্যরা। তাদের মধ্যে হালিম মিয়া নামে এক যুবক নিখোঁজ হন। তাকে উদ্ধারে তৎপরতা চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস।
শুক্রবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে নিখোঁজের ঘটনা ঘটে। হালিম মিয়ার খোঁজে শনিবার (১৩ জুলাই) সকালে উদ্ধার অভিযানে নামে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দল। বিকাল চারটায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উদ্ধার তৎপরতা চলছিল। তবে হালিমের খোঁজ পাওয়া যায়নি।
কেন্দুয়া থানার পরিদর্শক (ওসি-তদন্ত) ওমর কাইয়ুম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ হালিম মিয়া উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের ডাউকি গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার তাম্বুলিপাড়া এলাকায় কৈজানি নদীতে নৌকায় জুয়ার আসর বসিয়ে অন্তত অর্ধশত ব্যক্তি জুয়া খেলছিল। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় আটজনকে আটক করা হলেও অন্যরা নদীতে ঝাঁপ দেয়। তারা বাড়ি ফিরলেও রাতে হালিম মিয়া বাড়ি ফেরেনি। পরিবারের লোকজন রাতভর তার খোঁজ না পেয়ে আজ সকালে কেন্দুয়া উপজেলা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। সকালে ফায়ার সার্ভিসের নেতৃত্বে ময়মনসিংহ থেকে আসা ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
ঘটনার সময় নৌকায় থাকা জুয়েল মিয়া বলেন, ‘নৌকায় জুয়ার আসরে খেলতে হালিমসহ তারা কয়েকজন এসেছিল। খবর পেয়ে পুলিশ কৌশলে নৌকা দিয়ে জুয়া খেলার নৌকায় উঠে পড়ে। পুলিশ দেখে যে যেভাবে পারে পানিতে ঝাঁপ দেয়। আমি হালিমের সঙ্গে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে তীরে উঠলেও হালিম উঠতে পারেনি।’
ডাউকি গ্রামের শহীন মিয়া বলেন, ‘আমরা যখন খবর পাই তখন থেকে তাকে খোঁজাখুঁজি করছি কিন্তু পাইনি। এখন ডুবুরি দল এসে খোঁজাখুঁজি করছে।’