নরসিংদী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৪ ১৫:১৭ পিএম
আপডেট : ০৯ জুলাই ২০২৪ ১৬:১৮ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
নরসিংদীর রায়পুরায় ট্রেনে কাটা পড়া পাঁচ মরদেহের পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করেছে রেলওয়ে পুলিশ।
সোমবার (৮ জুলাই) রাত ১২টার দিকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে নরসিংদী রেলস্টেশন সংলগ্ন রেলওয়ে কবর স্থানে তাদের দাফন করা হয়।
এ ঘটনায় রায়পুরা উপজেলার মেথিকান্দা রেলস্টেশনের মাস্টার আশরাফ আলী ভৈরব রেলওয়ে থানায় অপমৃত্যু মামলা করেছেন।
এর আগে সোমবার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথের রায়পুরা উপজেলার পলাশতলী ইউনিয়নের কমলপুর এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়া পাঁচ মরদেহ উদ্ধার করে রেলওয়ে পুলিশ।
রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথের রায়পুরা উপজেলার মেথিকান্দার রেলগেট সংলগ্ন পলাশতলী ইউনিয়নের কমলপুর এলাকায় রেললাইনে পাঁচটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশ, পিবিআই, রায়পুরা ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে নিহতদের মরদেহ উদ্ধারে কাজ শুরু করেন। নিহত সবাই পুরুষ। তাদের বয়স আনুমানিক ১৫ থেকে ৩০ এর মধ্যে হবে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করতে মরদেহের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পুলিশ। তবে জাতীয় সার্ভারে ফিঙ্গারপ্রিন্ট না মেলায় তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এমনকি রাত পর্যন্ত কোনো স্বজন পরিচয় শনাক্ত করেনি।
সবগুলো মরদেহ কাছাকাছি হওয়ায় মৃত্যুর কারণ নিয়ে জনমনে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শহীদুল্লাহ বলেন, পিবিআই হাতের ছাপ সংগ্রহ করলেও তদের পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র নেই। আমরা মরদেহগুলোর ডিএনএ ও ভিসেরা সংগ্রহ করেছি। এগুলো ঢাকার মালিবাগের সিআইডি ল্যাবে পাঠানো হবে। ডিএনএ পরিচয় শনাক্তে ও ভিসেরা মাধ্যমে তারা কোনো নেশা করেছে কি না শনাক্ত করা যাবে। আর এ ঘটনাটি খুবই গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।