প্রবা প্রতিবেদক, বরিশাল
প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০২৪ ২১:৪২ পিএম
আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২৪ ২২:১৭ পিএম
মুলাদীতে গনধর্ষনের অভিযোগে ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রবা ফটো
বরিশালের মুলাদীতে প্রেমিকের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে মামলা হলে ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) রাতে উপজেলার চরপদ্মা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে একইদিন বিকালে ওই এলাকায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তাররা হলো- মুলাদী উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের চরপদ্মা গ্রামের আলমগীর আকনের ছেলে ফজলে রাব্বী, একই এলাকার মৃত আজাহার গোমস্তার ছেলে বাতেন গোমস্তা, আজিজ ব্যাপারীর ছেলে রুহুল আমিন এবং কালাম খানের ছেলে নাবিল খান।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া মামলার বরাতে জানান, তালাকপ্রাপ্ত ওই তরুণীর সঙ্গে গ্রেপ্তার ফজলে রাব্বির মোবাইল ফোনে প্রেম হয়। বৃহস্পতিবার বিকালে ফজলে রাব্বী ওই তরুণীকে নিয়ে চরপদ্মা এলাকায় মাছুম বিল্লাহর মাছের ঘেরে ঘুরতে যায়। সেখানে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ফজলে রাব্বী ধর্ষণ করে।
ওসি জানান, বিষয়টি টের পেয়ে ঘেরে থাকা ৪ জন কর্মচারী তাদের আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে। পরে তারা ফজলে রাব্বীকে মাছের ঘেরের একপ্রান্তে নিয়ে আটকে রাখে এবং তরুণীর মুখ বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। বিষয়টি মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিওচিত্র ধারণ করে। সন্ধ্যার পরে ওই তরুণী বাড়ি ফিরে বিষয়টি বাবা-মাকে জানায়। পরে তারা সফিপুর পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দেয়। অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই চরপদ্মা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাছের ঘের কর্মচারী বাতেন, রুহুল আমিন ও নাবিলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ওই এলাকায় থেকে ফজলে রাব্বীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা তরুণীকে পালাক্রমে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। ওই তরুণীকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, তরুণীর বাবার করা মামলার চার আসামিকে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠানো হয়েছে। মামলার পলাতক আসামি একই এলাকার বাসিন্দা আবুল কালাম ব্যাপারীর ছেলে রবিন ব্যাপারীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।