মোরছালীন বাবলা
প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০২৪ ১৬:১৯ পিএম
আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২৪ ১৪:৪০ পিএম
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনে সেজেছে মাওয়া। প্রবা ফটো
বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতীক ও গর্বের অবকাঠামো ‘পদ্মা সেতু’ প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠান আজ। বহু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতু দিয়ে সড়কপথে বাংলাদেশে যোগাযোগের নতুন অধ্যায় শুরু হয়। এরপর ২০২৩ সালে চালু করা হয় রেলপথ।
শুক্রবার (৫ জুলাই) বিকালে সব প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে স্বপ্নের এ সেতুর প্রকল্পের কাজের সমাপনী ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের পরিসমাপ্তির সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এখানেই পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়েছিল ২০২২ সালের ২৫ জুন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিকাল ৪টা ২০ মিনিটে সভাপতির বক্তব্য রাখবেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বিকাল সাড়ে ৪টায় প্রধান অতিথির ভাষণ রাখবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ইতোমধ্যে সুধী সমাবেশে সেতু সংশ্লিষ্ট ছাড়াও দেশি-বিদেশি অতিথি, সরকারের মন্ত্রী, রাজনৈতিক নেতাসহ বিভিন্ন পেশার লোকজন সুধী সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়েছে। এখন শুধু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতির জন্য অপেক্ষা।
এদিকে সমাপনী অনুষ্ঠানকে ঘিরে সাজ সাজ রব, বর্ণিল হয়ে উঠেছে মাওয়া। চারিদিকে উচ্ছ্বাস।
পদ্মা বহুমুখী সেতুর সব ধাপের কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন। নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত এই সেতু এখন আলোর দ্যুতি ছড়াচ্ছে। এরই মধ্যে যান পারাপার ১ কোটি ২৭ হাজার ছাড়িয়েছে। সড়কপথের পাশাপাশি রেলপথেও রাতদিন ট্রেন চলছে। পদ্মা সেতু রেল লিঙ্কের ভাঙ্গা-যশোর অংশের কাজও শেষ হচ্ছে চলতি মাসেই। এই অংশ চালু হলে রেলপথে যশোর থেকে রাজধানীর দূরত্ব কমবে প্রায় ১৯৫ কিলোমিটার।
এদিকে পুরো এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রাখা হয়েছে। বিশেষ এক পরিবেশ বিরাজ করছে এলাকাটিতে।
২৩ বছর আগে ২০০১ সালের ৪ জুলাই মাওয়ায় ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর বিএনপি জোট সরকার এলে বন্ধ হয়ে যায় সেতুর কার্যক্রম। ফের আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ফিরলে গত ২০০৯ সাল থেকে আবার পুরোদমে কাজ শুরু হয়। কাজ শুরুর মুখে বিশ্বব্যাংকের দুর্নীতির অভিযোগে অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে সেতু কার্যক্রম। এ অবস্থায় সব বাধা কাটিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুর কাজ নিজস্ব অর্থায়নে শুরু করে। নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত এই সেতু গত ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । তিনি ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর উদ্বোধন করেন সেতুর রেলপথ।