বগুড়ায় ভোক্তার ডিজি
বগুড়া অফিস
প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৪ ১৮:৫৯ পিএম
আপডেট : ৩০ জুন ২০২৪ ১৯:০২ পিএম
বিপণন ব্যবস্থার ত্রুটি দূর করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। রবিবার (৩০ জুন) বিকালে শহরের রাজাবাজার মনিটরিংয়ের সময় তিনি একথা বলেন। এ সময় তিনি বগুড়ায় এক টাকা দরে ৬০ পিস লেবু কিনেন।
তিনি বাজার পরিস্থিতি জানতে বিভিন্ন দোকান মনিটরিং করেন। এসময় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মরিচ হলুদ ভাঙানোর অপরাধে এক ব্যবসায়ীকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভোক্তার মহাপরিচালক সফিকুজ্জামান বলেন, ‘বগুড়ায় বাজারে এসে মনে হচ্ছে শায়েস্তা খানের আমলে চলে এসেছি। এখানে লেবু বিক্রি হচ্ছে এক টাকা পিস। আমি এখান থেকে পাঁচ ডজন লেবু কিনেছি মাত্র ৬০ টাকায়। যেখানে ঢাকায় কোনো কোনো সময় এক হালি লেবুর দাম ৬০ টাকায় বিক্রি হয়। এখানে ঢেড়স, পটল ২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। গতকাল শনিবার ঢাকার বাজার গিয়ে দেখেছি এসবের দাম ৮০ টাকা করে। তাহলে কি দাড়াচ্ছে, আমাদের বিপণন ব্যবস্থা ত্রুটিযুক্ত। কৃষকেরা যা উৎপাদন করছে তা বগুড়ার বাজারে যদি ২০ টাকায় হয় তাহলে সেটি ঢাকার বাজারে ৮০ টাকায় বিক্রি হবে। এটা আসলেই অযৌক্তিক। এই যে বিপণন ব্যবস্থার যে ত্রুটি তা দূর করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বগুড়া আলুর জন্য বিখ্যাত এলাকা। আজ এখানে আলুর দাম বেশি। এক্ষেত্রে বাজার কমিটি ব্যবস্থা নেবে। আর যদি বাজার কমিটি ব্যবস্থা না নেয় তাহলে আমাদের জানাবেন এখানে অভিযান চালানো হবে। যদি এখানে বাজার কমিটির গাফিলতি থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেব।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সিন্ডিকেট তো দেখা যায় না। এটা বায়বীয় বিষয়। ডিমের বাজার ঢাকায় অস্থির হয়েছিল। আমরা অভিযান চালানোর পরেই আজ ডজনে ২০ টাকা দাম কমেছে।আমি শিগগিরই ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণে সব পক্ষকে নিয়ে মিটিং করব। আর আমাদের ত্রুটিযুক্ত বাজার ব্যবস্থাপনা নিয়েও অনেক কাজ করার আছে। আমরা চাই এখানে সমন্বিত প্রতিটা দপ্তর কাজ করবে। কৃষকরা যাতে সরাসরি বাজারে বিক্রি করতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে। সবাই মিলে কাজ করলে তাহলে দাম সাশ্রয় হবে।’
অভিযানকালে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিএম ইমরুল কায়েসসহ ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা, বাজার কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।