রাজশাহী অফিস
প্রকাশ : ২৯ জুন ২০২৪ ২১:১৮ পিএম
আপডেট : ২৯ জুন ২০২৪ ২২:১৫ পিএম
বাঘা উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতা বাবুল হত্যার রেশ না কাটতেই এবার রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। বাঘায় আওয়ামী লীগ নেতা বাবুল হত্যার ঘটনায় শনিবার (২৯ জুন) বিকাল ৫টার পর একটি পক্ষ বাগমারা নিউমার্কেটের সামনে মানববন্ধন করেছে। অপরপক্ষ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রের দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ওই নিউমার্কেটের সামনে এলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সতর্ক অবস্থায় রয়েছে পুলিশ।
বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকার প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও বাগমারার মেয়র আব্দুল মালেক বলেন, ‘বাবুল হত্যার ঘটনায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনের বিরুদ্ধে বাঘার এমপি যে বক্তব্য দিয়েছে এবং বাবুলের জানাজায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অনীল কুমার এলে তাকে লাঞ্ছিত করা হয়। এসবের প্রতিবাদে আমরা বাগমারায় মানববন্ধনের আয়োজন করি। শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বাগমারা উপজেলা নিউমার্কেটের সামনে আমাদের ওই মানববন্ধনে মো. মাহাবুর ও এসএম জিয়াউদ্দিন টিপু তাদের দলবলসহ এসে হামলা চালায়। এ সময় পুলিশ তাদের থামাতে গেলে তারা পুলিশের ওপরও চড়াও হয়। আব্দুল মালেক দাবি করেন মাহাবুর ও টিপুসহ হামলাকারীদের প্রত্যেকেই বাগমারার বর্তমান এমপি আবুল কালাম আজাদের অনুসারী। দলের সিনিয়রদের সঙ্গে বসে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
নিজেকে বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দাবি করে এসএম জিয়াউদ্দিন টিপু বলেন, ‘আমরা বাগমারা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান অনীল কুমার ও বাগমারার পৌর মেয়র আব্দুল মালেকের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করছিলাম। এ সময় নিউমার্কেটের কাছে আমাদের মিছিল আসতেই তাদের পক্ষ থেকে আমাদের ওপর হামলা করা হয়। এ বিষয়ে দলের সঙ্গে বসে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বাগমারার ওসি অরবিন্দ সরকার বলেন, সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে উভয়পক্ষকে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।