রাজশাহী অফিস
প্রকাশ : ২৮ জুন ২০২৪ ২৩:৪৩ পিএম
আপডেট : ২৮ জুন ২০২৪ ২৩:৪৮ পিএম
রাজশাহীর বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম হত্যার বিচার এবং সিটি মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামানের (লিটন) বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচারের’ প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ জুন) বিকালে রাজশাহী নগরে আয়োজিত এ কর্মসূচি থেকে রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য শাহরিয়ার আলমের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। মহানগর আওয়ামী যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ ব্যানারে এই বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
নগরের কুমারপাড়াস্থ মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে এসে শেষ হয়। সেখানে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা এমপি শাহরিয়ার আলমকে রাজশাহীতে মহানগরীতে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন। প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে শাহরিয়ার আলমের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।
সমাবেশে মহানগর যুবলীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান খান মনির সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন। আর সঞ্চালনা করেন মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. সিরাজুম মুবিন সবুজ।
মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তৌরিদ আল মাসুদ রনি, মহানগর শ্রমিক লীগের সভাপতি মাহবুবুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মো. আকতার আলী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আব্দুল মমিন, জেলা যুবলীগের সভাপতি মাহমুদ হাসান ফয়সল সজল, সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসমিন আরাফাত সৈকত, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রানা, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি নুর মোহাম্মদ সিয়াম, সাবেক সভাপতি শফিকুজ্জামান শফিক ও রকি কুমার ঘোষ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান রাজিব, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লা হিল গালিব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ডা. শুভ কুমার মন্ডল প্রমুখ সমাবেশে বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগের নিবেদিত প্রাণ নেতা ছিলেন আশরাফুল ইসলাম বাবুল। আমরা বাবুল হত্যার বিচার চাই। দোষীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চাই।
এদিকে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় আদালতে মামলা করেছেন উপজেলার তেপুকুরিয়া গ্রামের আবুল কালাম নামের এক ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার রাজশাহীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আদালত ও দ্রুত বিচার আদালতে তিনি মামলাটি করেন। মামলায় বাঘা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৩২ জনের নাম উল্লেখ করে ১৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী জিয়াউর রহমান।