× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সিডরের ধকল নিয়ে দেড় যুগ

ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা

প্রকাশ : ২৭ জুন ২০২৪ ১৫:৪৭ পিএম

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীর কলারন-সন্ন্যাসী ফেরিঘাটে ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার হতে হয় যাত্রীদের। সাম্প্রতিক সময়ে তোলা। প্রবা ফটো

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীর কলারন-সন্ন্যাসী ফেরিঘাটে ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার হতে হয় যাত্রীদের। সাম্প্রতিক সময়ে তোলা। প্রবা ফটো

দেড় যুগ ধরে বন্ধ পিরোজপুরের ইন্দুরকানীর কলারন-সন্ন্যাসী ফেরি। বারবার আশ্বাস দিলেও শুরু হয়নি ফেরি চলাচল। ফলে ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার হচ্ছে হাজারো যাত্রী। জানা গেছে, ইন্দুরকানীর বলেশ্বর নদের কলারন-সন্ন্যাসী ফেরিঘাটটি ২০০৬ সালের ৪ আগস্ট চালু হয়। এক বছর পর প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় সিডরে কলারন প্রান্তের ঘাটটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে বন্ধ হয়ে যায় ফেরি চলাচল। এরপর কেটে যায় দেড় যুগ। এর সময়ের মধ্যে ঘাটও সংস্কার হয়নি আর শুরু হয়নি ফেরি চলাচল।

স্থানীয়সহ যাত্রীসাধারণ জানায়, পিরোজপুর-মোরেলগঞ্জ-মোংলা-শরণখোলা রুটের এই ফেরিঘাট দিয়ে প্রতিদিন হাজারো যাত্রী পারাপার হয়। সন্ন্যাসীর ওপরের যাত্রীদের ট্রলারে নদী পার হয়ে কলারন ঘাট থেকে বাসে উঠে পিরোজপুর জেলা শহরসহ রাজধানী ঢাকায় যাতায়াত করতে হয়। দুপাড়ের যাত্রী ওঠানামার ঘাটও জরাজীর্ণ। ঝুঁকি নিয়ে ইঞ্জিনচালিত নৌকা বা ট্রলারে নদী পার হতে হয়। 

ঘাট দিয়ে যাত্রীরা কোনোমতে ওঠানামা করতে পারলেও মোটরসাইকেল নিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে চালকদের। মাঝে মাঝে দুর্ঘটনা শিকার হতে হয়। দ্রুত ঘাট সংস্কার করে ফেরি চলাচল শুরুর দাবি স্থানীয়দের। 

কলারন আবাসনের বাসিন্দা জলিল জমাদ্দার বলেন, নদীটি পার হতে ট্রলারই একমাত্র ভরসা। বর্ষা মৌসুম ও বৈরী আবহাওয়ায় প্রায়ই বন্ধ থাকে। বর্ষার সময় বেশি ঢেউ থাকায় ট্রলারে পারাপার ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। তখন নারী, শিশু, রোগী ও শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়তে হয়। বারবার আশ্বাসের পরও অজানা কারণে চালু হচ্ছে ফেরি। আমাদের দাবি মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সন্ন্যাসীর ফেরি চালু করা হোক।

মো. আলামিন নামে আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, এই ঘাটটি আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এখানে ফেরি না থাকায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। ঘাটটি সচল করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মো. সজিব নামে একজন যাত্রী বলেন, প্রায়ই এই ঘাট দিয়ে যাতায়াত করি। সবসময় ট্রলার না থাকার কারণে অনেক সময়ই ভোগান্তিতে পড়তে হয়। কোনো যানবাহন পারাপার হতে পারে না। তাছাড়া নদী পারাপারে ঝুঁকি তো আছেই। তাই দ্রুত ঘাট সংস্কার করে ফেরি চলাচলে উদ্যোগ নেওয়া হোক।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মঞ্জু বলেন, ফেরিঘাটটি পুনরায় চালু হলে ইন্দুরকানী উপজেলার সঙ্গে বাগেরহাটের শরণখোলা, সুন্দরবন, মোরেলগঞ্জ ও মোংলার সঙ্গে সড়কপথে যোগাযোগ সহজ হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যেরও নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে।

জানতে চাইলে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর পিরোজপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ বলেন, ‘বলেশ্বর নদের কলারন-সন্ন্যাসী ঘাটটি জনসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চেষ্টা করছি ঘাটটি পুনরায় চালু করার জন্য।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা