রাজশাহী অফিস
প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৪ ০৯:৩০ এএম
কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে ব্যবসায়ীরা। প্রবা ফটো
কোরবানির চামড়ায় এক ধরনের ছত্রাকের সংক্রমণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন চামড়া ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, করোনা মহামারি শুরুর পর ২০২১ সালে এই ছত্রাকের সংক্রমণ দেখা দিয়েছিল। মাঝখানে কিছুদিন এর প্রাদুর্ভাব দেখা না দিলেও আবার তা ফিরে এসেছে।
এদিকে, গত কয়েক বছরের মতো এবারও রাজশাহীতে প্রান্তিক পর্যায়ের মৌসুমী ব্যবসায়ীরা চামড়ার কাঙ্খিত দাম না পাওয়ার অভিযোগ করছেন। আর কোরবানি যারা দিচ্ছেন তারা চামড়ার মূল্য না পেয়ে তা স্থানীয় মাদ্রাসা বা এতিমখানায় দান করছেন।
গত কয়েক বছর ধরে পর্যায়ক্রমে পাড়া-মহল্লায় ঘুরে ঘুরে চামড়া কেনা মৌসুমী ব্যবসায়ীর সংখ্যা কমে এসেছে। চামড়া কিনে পুঁজি হারাবার কারণে অনেকেই এই পেশা থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন।
রাজশাহীতে কোরবানির পর ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চামড়া বিক্রি হয়নি। অনেকে বাধ্য হয়ে চামড়া সরাসরি মাদ্রাসা বা এতিমখানায় দান করেছেন। অনেকে আবার সরাসরি আড়তে বিক্রি করেছেন। হাতেগোনা যে কজন মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ী পাড়ামহল্লায় ঘুরে চামড়া কিনেছেন তাদের কণ্ঠেও হতাশার সুর। নগরীর সপুরা এলাকায় অবস্থিত চামড়া পট্টিতে গিয়ে দেখা যায়, পাইকারী ক্রেতাদের সংখ্যা নেই বললেই চলে। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চামড়া নিয়ে রাস্তায় বসে থাকতে দেখা যায় চামড়া ব্যবসায়ীদের।
রাজশাহী জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আসাদুজ্জামান মাসুদ বলেন, এবার চামড়ার বাজার ২০০ টাকার মতো বেশি। তবে চামড়ায় ছত্রাকজনিত ইনফেনশন হচ্ছে। এই চামড়ায় লবন দিলে পুরো চামড়া উঠে যাচ্ছে। ফলে চামড়া বাদ পড়ে যাচ্ছে। এটা চামড়ার নিচে হয়। গত তিন বছর আগে করোনা মহামারির সময় গরুর শরীরে এই ছত্রাক দেখা দেয়। এই রোগকে স্থানীয় ভাবে করোনা বলা হয়। এই ধরনের চামড়া নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় আছি।