আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ জুন ২০২৪ ১০:১৭ এএম
আপডেট : ১৩ জুন ২০২৪ ১৭:৫৪ পিএম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামের রাজমিস্ত্রি আব্দুর রশিদের পালিত ষাঁড় রাজাবাবু। প্রবা ফটো
পরম যত্নে পালা ষাঁড়ের নাম রেখেছে ‘রাজাবাবু’। ৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৫ ফুট উচ্চতার রাজাবাবুর প্রতিদিন খরচ ৬০০ টাকা। সাদা-কালো চিত্রা শরীর। ষাঁড়টির ওজন ২০ মণ বলে দাবি মালিকের। বিশালাকার পশুটিকে দেখতে আশপাশের গ্রাম থেকে লোকজন আসছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের দরুইন গ্রামের আব্দুর রশিদ দুই বছর ধরে ষাঁড়টি লালন-পালন করছেন। তার দাবি, বর্তমানে এটিই উপজেলার সবচেয়ে বড় গরু। এবার পবিত্র ঈদুল আজহায় রাজাবাবুকে হাটে তোলা হবে। দাম হাঁকছেন ৭ লাখ টাকা। পেশায় রাজমিস্ত্রি আব্দুর রশিদ শখ করে উন্নত ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড় গরুটি লালন-পালন করছেন বলেও জানান।
আব্দুর রশিদ বলেন, ছোটবেলা থেকেই গরু পালনের শখ ছিল। দুই বছর আগে স্থানীয় পশুর হাট থেকে ৫ মাস বয়সি ফ্রিজিয়ান জাতের একটি বাছুর ৬৫ হাজার টাকায় কিনি। এরপর প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন শুরু করি। বর্তমানে এটির ওজন প্রায় ২০ মণ। তবে মোটাতাজাকরণের জন্য কোনো ওষুধ খাওয়ানো হয়নি। প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় রয়েছে ভুসি, চিটা গুড়, খৈল, ছোলা, খুদ ভাত, ঘাস ইত্যাদি। ষাঁড়টি শান্ত প্রকৃতির।
আখাউড়া পৌর শহরের দেবগ্রাম এলাকা থেকে আসা সাজ্জাত হোসেন বলেন, ‘আমার এক ভাই প্রবাসে থাকে। তার ইচ্ছা বড় গরু কোরবানি দেওয়ার। তাই লোকমুখে শুনে গরুটি দেখতে আসলাম। আসলেই গরুটি দেখতে খুবই সুন্দর।’
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জুয়েল মজুমদার বলেন, ‘উপজেলায় অনেকে খামার করে উন্নত জাতের গরু লালন-পালন করছেন। পশু মোটাতাজাকরণে ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার বন্ধে খামারগুলোতে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। তা ছাড়া সকল খামারির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষার পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করা হচ্ছে।