গোপালগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৪ ১৮:৩৮ পিএম
আপডেট : ১২ জুন ২০২৪ ১৮:৫৭ পিএম
বিমান বাহিনীর নবনিযুক্ত প্রধান এয়ার মার্শাল হাসান মাহমুদ খান সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। বুধবার সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। প্রবা ফটো
পার্বত্য অঞ্চলে সন্ত্রাস দমনে যে সক্ষমতা প্রয়োজন, তা রয়েছে উল্লেখ বিমান বাহিনীর নবনিযুক্ত প্রধান এয়ার মার্শাল হাসান মাহমুদ খান বলেছেন, পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাস দমনে চলমান যৌথ অভিযানে বিমান বাহিনীও কাজ করছে।
তিনি বলেন, আমাদের অত্যাধুনিক ড্রোন এয়ারক্রাফট আছে। বর্তমান সরকার আমাদের এটা দিয়েছে। প্রয়োজনে অনুসারে এগুলো ব্যবহার করে আমরা ইন্টেলিজেন্স সংগ্রহ করছি। পরে সংশ্লিষ্টদের কাছে এই ইন্টেলিজেন্স সরবরাহ করা হয়। আমাদের সব ধরনের সক্ষমতা আছে।
বুধবার (১২ জুন) সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন বিমান বাহিনীর প্রধান। এর আগে সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিমা।
পার্বত্য অঞ্চলে সন্ত্রাস দমন প্রসঙ্গে এয়ার মার্শাল হাসান মাহমুদ আরও বলেন, আমাদের গ্রাউন্ড ফোর্সের যদি অতিরিক্ত কোনো প্রয়োজন হয়, আমরা অবশ্যই এয়ার সাপোর্ট দিতে পারব। আমাদের পুরোপুরি সে সক্ষমতা আছে। এ ছাড়া দৈনন্দিন যে কার্যক্রম আছে সেগুলো আমরা পুশ করে যাচ্ছি। আমরা সম্পূর্ণভাবে এটার সঙ্গে সম্পৃক্ত আছি। প্রয়োজন হলে আরও বেশি সম্পৃক্ত হব। বিশ্বাস রাখতে পারেন– বিমান বাহিনীর সক্ষমতা আছে।
তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী সব সময় বলেন– আমরা কারও সঙ্গে শত্রুতা করতে চাই না। কিন্তু কেউ যদি আমাদের আঘাত করার চেষ্টা করে দাঁত ভাঙা জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকব। করোনা মহামারির আগে প্রধানমন্ত্রী আমাদের মাল্টিরোল কম্বাট এয়ারক্রাফটের জন্য বলেছিলেন। আমরা অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু পরে আমাদের করোনা, বৈশ্বিক মন্দার চাপ পড়েছে। কিন্তু সেজন্য আমাদের কোনো কিছু বন্ধ থাকবে না। আপাতত এটি বন্ধ রয়েছে, তবে আশা করছি– খুব শিগগিরই ভালো বিমান পাব।
এ সময় বিমান বাহিনীর একটি চৌকস কন্টিনজেন্ট জাতির পিতার উদ্দেশে গার্ড অব অনার প্রদান করে। বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর বিমান বাহিনী প্রধান ও বাংলাদেশ বিমান বাহিনী মহিলা কল্যাণ সমিতির (বাফওয়া) সভানেত্রী সালেহা খান বঙ্গবন্ধুর সমাধি বেদির সামনে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন এবং ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুসহ সব শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন। এরপর তারা পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এ সময় বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং অত্র এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ১১ জুন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল হাসান মাহমুদ খান আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধানের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।