মৌলভীবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ জুন ২০২৪ ১১:২২ এএম
আপডেট : ১০ জুন ২০২৪ ২১:২৯ পিএম
মৌলভীবাজার জেলায় এবার অন্যতম আকর্ষণ এক টনেরও বেশি ওজনের ষাঁড় বিসমিল্লাহ। দাম হাঁকা হয়েছে ১২ লাখ টাকা। প্রবা ফটো
মৌলভীবাজার জেলায় এবার ৫ হাজার ৩৬৯টি খামারে কোরবানির জন্য ৮৪ হাজার ৮১২ পশু প্রস্তুত রয়েছে। এর মধ্যে জেলায় অন্যতম আকর্ষণ ১ টনেরও বেশি ওজনের ষাঁড় ‘বিসমিল্লাহ’।
জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার হাইল হাওর পাড়ের জেটি রোডে বৃহৎ গবাদিপশুর খামার ‘শ্রীমঙ্গল এগ্রো’। খামারটির মালিক ইংল্যান্ড প্রবাসী মীর মিনহাজ নাসির। খামারে রয়েছে ফ্রিজিয়ান জাতের ৩ শতাধিক গরু। এর মধ্যে এবারের কোরবানির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ২৭টি ষাঁড়। এর মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণ এক টনের অধিক ওজনের ষাঁড় বিসমিল্লাহ। উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি এবং লম্বায় সাড়ে ৯ ফুটের মতো। ষাঁড়টির মূল্য ১২ লাখ টাকা হাঁকাচ্ছে খামার কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে এটির দাম হয়েছে সাড়ে ৮ লাখ টাকা পর্যন্ত উঠেছে।
শ্রীমঙ্গল এগ্রো খামারের কর্মী সাগর আহমেদ বলেন, ‘আমাদের খামারে তিন শতাধিক গরু থাকলেও এবারের কোরবানির জন্য প্রস্তুত আছে ২৭টি। যেগুলোর মূল্য দেড় লাখ থেকে শুরু করে ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত। খামারের গরুগুলোর মধ্যে বিসমিল্লাহ ছাড়া বাকিগুলো আমরা ওজনে বিক্রি করছি। যার প্রতি কেজি আমরা নির্ধারণ করেছি ৫০০ টাকা করে। আর বিসমিল্লাহ নামের ১ টনেরও বেশি ওজনের (ওজন মাপার মেশিনে যেটি প্রায় ১ হাজার ১০০ কেজি) ষাঁড়টির দাম চাইছি ১২ লাখ টাকা। তবে ১০ লাখ টাকা হলে বিক্রি করা হবে। ষাঁড়টিকে সম্পূর্ণ ভেজালমুক্ত দেশীয় খাবার দিয়ে বড় করা হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের ডাল, ঘাস, ভাতের মাড় ছাড়া কোনো ফিড বা ওষুধ খাওয়ানো হয়নি। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কর্ণ চন্দ্র মল্লিক ষাঁড়টি লালন-পালনে সব সময় পরামর্শ দিয়ে আসছেন।
বড় ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিনই লোকজন ভিড় করছেন খামারে। দরদাম করছেন অনেকেই। কেউ কেউ ছবিও তুলছেন।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আশরাফুল আলম খান বলেন, মৌলভীবাজার জেলায় এবার কোরবানির জন্য ৫ হাজার ৩৬৯টি খামারে মোট ৮৪ হাজার ৮১২ গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। এবার কোরবানির লক্ষ্যমাত্রা ৯৮ হাজার ৫৪২টি গবাদিপশু। ১৪ হাজার ৭৩০টি কোরবানির পশুর যে ঘাটতি তা বাড়িঘরে ব্যক্তিগতভাবে লালন-পালন করা গবাদিপশু দিয়ে পূরণ করা হবে।