সদরপুর-চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৪ ২২:৫৭ পিএম
নিক্সন চৌধুরীর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে শনিবার ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রবা ফটো
ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর, চরভদ্রাসন) আসনের এমপি ও যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সনের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে ভাঙ্গায় সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৮ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম হাবিবুর রহমান।
বক্তব্য রাখেন, ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন ও ভাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফাইজুর রহমান।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. কাওছার ভূইয়া, হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোকন মিয়া, ভাঙ্গা পৌর সভার কাউন্সিলর আইয়ুব আলী, সুমন মাতুব্বর প্রমুখ।
ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘মজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরী পরপর তিনবারের নির্বাচিত এমপি। তিনি বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র। গত ১ জুন ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে এক সমাবেশে সাইফুল ইসলাম নীলু কার ভাড়াটিয়া হয়ে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা নিক্সন চৌধুরীর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন? আপনার জানা উচিত ছিল নিক্সন চৌধুরী কে?’
তিনি বলেন, ‘নিক্সন চৌধুরীর পুরো শরীরে বঙ্গবন্ধুর রক্ত। নিক্সন চৌধুরীর বাবা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। যুদ্ধকালীন মুজিব বাহিনীর কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। নীলু সাহেব আপনি তো জাতীয় পার্টির নেতা ছিলেন। নীলু সাহেব অবিলম্বে আপনার বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে ফরিদপুরে আপনার বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
সংবাদ সম্মেলনের পর একটি বিক্ষোভ মিছিল ভাঙ্গা উপজেলা চত্বর প্রদক্ষিণ করে।
গত ১ জুন ফরিদপুর প্রেসক্লাব চত্বরে এক সমাবেশে নিক্সন চৌধুরীর বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন ফরিদপুর সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ-৭১ এর সাংগঠনিক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল ইসলাম নিলু। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘নিক্সন চৌধুরী একজন সংসদ সদস্য হয়ে তিনি যেভাবে, যে ভাষায় আপনার মনোনীত জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদককে উদ্দেশ্য করে কথা বলেন, এ বিচারের ভার আপনার কাছে দিয়ে গেলাম। নিক্সন চৌধুরীর লাগামটা টেনে ধরেন। আমরা খেপে গেলে, ফরিদপুরে নিক্সন চৌধুরীরে পেলে বাটাম খুলে ফেলব, তাতে আমায় ফাঁসি দিয়েন, পরোয়া করি না।’