উপজেলা নির্বাচন
রাজশাহী অফিস
প্রকাশ : ০৬ জুন ২০২৪ ২২:৪১ পিএম
রাজশাহীর বাঘা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আনারস প্রতীকের প্রার্থী মো. রোকনুজ্জামান রিন্টু।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) বিকেলে রাজশাহী নগরীর নিউমার্কেট এলাকার একটি রেস্টুরেন্টের কনফারেন্সে রুমে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এই অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্নতির চিত্র তুলে ধরে ফলাফল পুনরায় গণনার জন্য নির্বাচন কমিশনের সচিব বরাবর আদেন করেছেন।
বুধবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ঘোষিত ফলাফল অনুসারে আনারস প্রতীকের প্রার্থী মো. রোকোনুজ্জামান রিন্টু ১০৬ ভোটে মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী মো. লায়েব উদ্দিনের কাছে পরাজিত হন। আনার প্রতীকের প্রর্থী পান ৩২ হাজার ২৯৯ এবং বিজয়ী মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী পান ৩২ হাজার ৪০৫ ভোট।
মো. রোকনুজ্জামান রিন্টু ছাত্র জীবন থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।
সংবাদ সম্মেলনে মো. রোকনুজ্জামান দাবি করেন, চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান—এই তিন পদে একত্রে নির্বাচন হলেও তিন পদে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ও হার এক নয়। অথচ এই সংখ্যা তিনটি পদে একই হবার কথা। ভোট গণনার সময় বেশ কিছু কেন্দ্র থেকে আনারস প্রতীকের প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়। এছাড়াও অধিকাংশ কেন্দ্রের ফলাফল শিটে তার পোলিং এজেন্টদের স্বাক্ষর নেয়া হয়নি। এমনকি তাদেরকে ফলাফল শিটও দেয়া হয়নি।
এসময় তিনি দাবি করেন, বাঘার কৃষি কর্মকর্তা সুলতান শফিউল্লাহ জনি, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মিলন দাশ, বিআরডিবি কর্মকর্তা ইমরান আলী, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আ ফ ম হাসান, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের এ্যকাডেমিক সুপারভাইজার মাহমুদুল হাসান খান এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। মো. রোকনুজ্জামান রিন্টু সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচক কমিশনের সচিব বরাবর প্রদত্ত লিখিত অভিযোগ উপস্থাপন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাঘা উপজেলার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মন্টু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহেদ সাদেক কবির, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন প্রমুখ।