× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মোরেলগঞ্জে সুপেয় পানির তীব্র সংকটে আড়াই লাখ মানুষ

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৪ ১৬:০৯ পিএম

আপডেট : ০৪ জুন ২০২৪ ১৭:২৭ পিএম

মোরেলগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ডুবে যাওয়া পুকুর। প্রবা ফটো

মোরেলগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ডুবে যাওয়া পুকুর। প্রবা ফটো

প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালের জলোচ্ছ্বাসে সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ সুপেয় ও ব্যবহারের উপযোগী পানি পাচ্ছে না। এ উপজেলাটির পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়নের সব জলাধারে প্রবেশ করেছে সমুদ্রের লবণ পানি। গাছপালা, পাতা, হাঁস-মুরগির মৃতদেহ, ড্রেন ও সেপটিক ট্যাংকের ময়লা আবর্জনা। এসব কারণে উপজেলার সরকারি বেসরকারি সব পুকুরের পানি পচে রঙ কালচে হয়ে গেছে। গন্ধ ছড়াতে শুরু করেছে। এ অবস্থায় উপজেলার প্রায় ৩ লাখ মানুষ নিরাপদ খাবার পানি ও ব্যবহারের পানির চরম সংকটে পড়েছেন।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা গেছে, পানির উৎস হিসেবে ব্যবহৃত ১ হাজার ২৮৭টি পুকুর সংরক্ষিত ছিল। এর মধ্যে ১ হাজার ৩০টি পুকুরের পানি পচে গেছে। ওই পুকুরগুলো থেকে দ্রুত পচা, দূষিত পানি অপসারণ না করলে মাটিও দূষিত হয়ে যাবে। দুর্ভোগ আরও বাড়বে। খাবার পানির জন্য মোরেলগঞ্জে প্রায় ৮ হাজার পরিবারে সরকারি বেসরকারিভাবে পাওয়া বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ট্যাংকি থাকলেও ওই পরিবারগুলোর অন্যান্য কাজের জন্য নিরপদ পানির কোনো উৎস্য অবশিষ্ট নেই।

বারইখালী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মো. নাজমুল হাসান রানা বলেন, বারইখালী ইউনিয়নে জলোচ্ছ্বাসে ১০/১২টি মিষ্টি পানির পুকুর ডুবে গিয়ে ময়লা ও দুগন্ধতে পানি পান করার উপযোগী নয়। এমনকি রান্না বান্নাও করা সম্ভব নয়। পুকুরগুলোর পানি সেচ দিয়ে ফেলে দিলে বৃষ্টির পানি পাওয়া সম্ভব হবে। আমি একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে প্রশাসনের প্রতি দাবি জানাই।

নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের গাজী ফেরদৌস হোসেন পিয়াস বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের পর আমাদের গ্রামে সুপেয় পানি পাওয়া এখন দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুকুরের পানি নষ্ট হয়ে গেছে। এমনকি পুকুরে ভাসছে বিভিন্ন প্রাণীর মরদেহ। বোতলের পানি ক্রয় করে খেতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. মনিরুল ইসলাম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, রেমালের জলোচ্ছ্বাসে প্রায় শতভাগ পানির উৎস নষ্ট হয়ে গেছে। আড়াই লাখ মানুষ এখন খাবার ও ব্যবহারের নিরাপদ পানি পাচ্ছে না। ইতোমধ্যে পানি বিশুদ্ধকরণের জন্য ৫০ হাজার ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে। আরও ১ লাখ ট্যাবলেট শিগগিরই পাওয়া যাবে। তবে এভাবে আড়াই লাখ মানুষের নিরাপদ পানির চাহিদা মেটানো সম্ভব নয় বলেও কর্মকর্তা উল্লেখ করেন।

এ সর্ম্পকে মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শর্মী রায় প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতের পরে হাসপাতালে টাইফয়েড, ডায়রিয়া ও চর্মরোগীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। অচিরেই পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা