× ই-পেপার প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি ফিচার চট্টগ্রাম ভিডিও সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মারধরের ৮০ দিন পর মৃত্যু, মামলায় ১০ জনের যাবজ্জীবন

জয়পুরহাট প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৪ ১৭:০৭ পিএম

আপডেট : ০৩ জুন ২০২৪ ১৭:৪৯ পিএম

সোমবার দুপুরে রায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গণে পুলিশি হেফাজতে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা। প্রবা ফটো

সোমবার দুপুরে রায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গণে পুলিশি হেফাজতে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা। প্রবা ফটো

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে মারধরে একজন মারা যাওয়ার ঘটনায় করা মামলায় ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ মামলায় আরও দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৩ জুন) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. নুরুল ইসলাম এ রায় দেন। 

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবু নাছিম মো. শামীমুল ইসলাম শামীম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন ছাবদুল, হেলাল, আলম হোসেন, ইদ্রিস আলী, রেজাউল ইসলাম, ফাতেমা বেগম, ফারজানা বেগম, লিলিফা বেগম, হেলাল উদ্দিন ও ফুত্তি বেগম। আর খালাস পাওয়া দুজন হলেন মিলন হোসেন ও আ. হামিদ। তারা সকলেই ক্ষেতলাল উপজেলার মহব্বতপুর গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।  

এজাহারে উল্লেখ আছে, ক্ষেতলালের মহব্বতপুর গ্রামের ছাবদুলের নিকট থেকে জমি কবলা নিয়ে ২১ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছিলেন সামছুল ইসলাম। গত ২০১১ সালের ২৭ অক্টোবর ছাবদুল ওই জমি নিজের বলে দাবি করেন। এনিয়ে স্থানীয় সলিশে সম্পত্তি সামছুল পাবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু ছাবদুলসহ তার পক্ষের লোকজন তা মেনে নেয়নি। পরে ৩১ অক্টোবর সামছুল তার স্বজনদের নিয়ে জমিতে বীজ বপন করার সময় ছাবদুলসহ প্রতিপক্ষরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওই সম্পত্তিতে যায় এবং সামছুলের ওপর হামলা চালায়। এ সময় সামছুলের স্বজনরা এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর করা হয়।

মারপিটের ঘটনায় সামছুলদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে ছবদুলরা ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যায়। পরে আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে সামছুলের অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে ঘটনার ২ মাস ২০ দিন পর ২০১২ সালের ২০ জানুয়ারি রাতে তিনি মারা যান।

ঘটনার পর সামছুল ইসলাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী মেরিনা বেগম বাদী হয়ে ওই বছরের ১১ নভেম্বর থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করেন সেই সময়ের ক্ষেতলাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২৯ মার্চ মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

রায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবু নাছিম মো. শামীমুল ইসলাম শামীম সন্তুষ্ট প্রকাশ করলেও বাদীপক্ষের আইনজীবী আহসান হাবিব চপল উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০১৭১২০৩৩৭১৫ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা